প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাজীপুরের টঙ্গীতে দুই শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়ন ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ইব্রাহিম খলিল (৩৫) নামের এক মাদরাসা শিক্ষককে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে স্থানীয় এলাকাবাসী এবং তারা ওই মাদরাসায় ভাঙচুর চালিয়েছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে গাজীপুর আদালতে পাঠিয়ে দেয় টঙ্গী পশ্চিম থানার পক্ষ থেকে। এর আগে টঙ্গীর মুদাফা বিশারটেক এলাকার ‘হাজী কালু মিয়া মহিলা মাদরাসা’য় এই শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক ইব্রাহিম খলিল প্রায়ই মাদরাসার কোমলমতি শিশুদের উত্ত্যক্ত করতেন। গত বুধবার, মাদরাসার প্রথম শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থীকে তিনি নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে শ্লীলতাহানি করেন।
ঘটনাটি কাউকে না জানাতে, তিনি ওই শিশুকে ভয়ভীতি ও হুমকিও দেন। পরদিন বৃহস্পতিবার রাতে, একই শ্রেণির আরেক ছাত্রীকে তিনি যৌন নিপীড়ন করেন।
ছুটি শেষে, ভুক্তভোগী শিশুটি বাড়িতে ফিরে অভিভাবককে পুরো ঘটনার কথা জানায়। যখন ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয়, তখন স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষুব্ধ হয়ে যান।
একপর্যায়ে, বিক্ষুব্ধ জনতা মাদরাসাটি ঘেরাও করে ভাঙচুর চালায়।
সংবাদ পেয়ে বৃহস্পতিবার রাত একটার দিকে, টঙ্গী পশ্চিম থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে, ভুক্তভোগী পরিবার মামলাটি দায়ের করলে, শুক্রবার তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান বলেন, ‘শিশুদের শ্লীলতাহানির অভিযোগে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে গাজীপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন