প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ওপেনার বেন কারানের অসাধারণ সেঞ্চুরির মাধ্যমে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে জয়ের জন্য বাংলাদেশকে ২৪৮ রানের লক্ষ্য দিয়েছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। প্রথমে ব্যাটিং করে কারানের অপরাজিত ১১১ রানের উপর ভর করে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৪৭ রান করেছে জিম্বাবুয়ে।
হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। বল হাতে বাংলাদেশকে দারুণ শুরু এনে দেন পেসার তাসকিন আহমেদ। ইনিংসের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে তিনি জিম্বাবুয়ের ওপেনার ব্রায়ান বেনেটকে বোল্ড করেন। ফলে, বেনেট খালি হাতে সাজঘরে ফিরে যান।
নিজের দ্বিতীয় ওভারেও উইকেটের দেখা পেয়েছেন তাসকিন। সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে অভিষেক হওয়া ইনোসেন্ট কাইয়াকে ৪ রানে থামান তিনি।
৮ রানে ২ উইকেট হারানোর পর চাপ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন আরেক ওপেনার কারান ও ক্রেইগ আরভিন। কিন্তু তাদের পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়ান নাহিদ রানা, যিনি আগের ম্যাচে ২১ রানে ৬ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড গড়েন। কারানের সাথে ৩৫ বলে ২৪ রানের জুটি গড়ে রানার বলে বোল্ড হন আরভিন। তিনি ৯ রান করেন।
আরভিনের বিদায়ের পর ক্রিজে এসে চতুর্থ উইকেটে কারানের সাথে ৪৫ বলে ৩৪ রান যোগ করেন ওয়েসলি মাধভেরে। উইকেটে সেট হয়ে তিনি ২টি চারে ৩০ বলে ১৫ রান করে বাংলাদেশের অধিনায়ক ও স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজের বলে সৌম্য সরকারকে ক্যাচ দেন।
দলীয় ৬৬ রানে মাধভেরে ফিরে যাওয়ার পর জিম্বাবুয়ের রান ১শ পার করেন কারান ও সিকান্দার রাজা। ৬৮ রানের জুটির মধ্যে ৩৩ রান অবদান রেখে মিরাজের দ্বিতীয় শিকার হন রাজা। তিনি ৪টি চারে ৩৩ রান করেন। এই জুটিতে ৫৯ বলে ওয়ানডেতে তৃতীয় অর্ধশতক পূর্ণ করেন কারান।
সাত নম্বরে নেমে ক্লাইভ মাদান্দে সুবিধা করতে পারেননি। তিনি ব্যক্তিগত ৪ রানে স্পিনার রিশাদ হোসেনের বলে উইকেটরক্ষক নুরুল হাসানের হাতে বন্দি হন।
১৪৮ রানে ষষ্ঠ উইকেট পতনের ফলে জিম্বাবুয়ে ২শর নীচে গুটিয়ে যাবার শঙ্কায় পড়ে। কিন্তু সেটি হতে দেননি কারান ও আট নম্বরে নামা ব্রাড ইভান্স। তারা সপ্তম উইকেটে ৮০ বলে ৯৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দলের রান আড়াইশর কাছে নিয়ে যান। বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে ফরম্যাটে সপ্তম উইকেটে এটিই সর্বোচ্চ রানের জুটি জিম্বাবুয়ের। ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৪৭ রান করে জিম্বাবুয়ে।
তাসকিনের করা শেষ ওভারে ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ২২ রান তুলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ-সেঞ্চুরির দেখা পান ইভান্স। তিনি ২টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৩৮ বলে অপরাজিত ৫৮ রান করেন।
অন্যপ্রান্তে দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেছেন কারান। ইনিংসের ৪৬তম ওভারে এসে ১২২ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দশম ম্যাচে দ্বিতীয় সেঞ্চুরির দেখা পান তিনি। তিনি ৯ চারে ১৩৫ বলে অনবদ্য ১১১ রান করেন।
বাংলাদেশের তাসকিন ৫৭ রানে ও মিরাজ ৩২ রানে ২টি করে উইকেট নেবার কৃতিত্ব দেখান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন