প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ময়মনসিংহের নান্দাইলে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর বিরুদ্ধে বসতভিটার জমি জোরপূর্বক দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। নিজেদের জমি ও বসতবাড়ি দখলমুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগীরা। তাদের দাবি, দীর্ঘদিনের বসতভিটা দখল করে রাস্তা নির্মাণ করায় পরিবার নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন তারা। এ ঘটনায় আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুষ্ঠু বিচার ও হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ১১ নম্বর খারুয়া ইউনিয়নের হালিজুড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. সন মিয়া। তার অভিযোগ, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর বিরুদ্ধে তাদের বসতভিটার জমি জোরপূর্বক দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে। শুধু জমিই নয়, তাদের বসতবাড়িও দখল করা হয়েছে বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।
তাদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে থাকা জমি ও বসতবাড়ি নিয়ে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে। নিজেদের অধিকার ফিরে পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা।
এদিকে ভুক্তভোগী মো. সন মিয়ার দেওয়া লিখিত আবেদনপত্রে দেখা যায়, জমি সংক্রান্ত বিরোধে তিনি আদালতের আশ্রয় নিয়েছেন। আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ময়মনসিংহের সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। পরবর্তী সময়ে আদালতের রায় ও ডিক্রির পর কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেন তিনি।
আবেদনপত্রে আরও উল্লেখ রয়েছে, আদালতের আদেশে বিবাদীদের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি আদালতের আদেশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে প্রশাসনের কাছে।
এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের জমি ও বসতভিটা ফিরে পাওয়ার দাবিতে মানববন্ধনে অংশ নেন ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী। মানববন্ধন থেকে তারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন এবং দখল হওয়া জমি ও বসতবাড়ি ফিরে পাওয়ার দাবি জানান।
একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।
ভুক্তভোগীদের দাবি, তারা কোনো বিশেষ সুবিধা চান না, চান নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি ও বসতভিটায় শান্তিতে বসবাসের অধিকার। এখন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ এবং অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন