প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র এক দিন বাকি থাকার অবস্থায়, অন্যতম আয়োজক দেশ মেক্সিকোতে নতুন করে বিক্ষোভের ঘটনা আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থानीय সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিপুল সংখ্যক বিক্ষোভকারী রাজধানী মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক অ্যাজতেকা স্টেডিয়ামের প্রধান প্রবেশপথের সড়ক অবরোধ করে অবস্থান করছেন। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
বিক্ষোভের পেছনে মূলত দুটি বড় ইস্যু রয়েছে। প্রথমত, দেশের শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবিগুলো। তারা বেতন বৃদ্ধি, পেনশন ব্যবস্থার সংস্কার ও উন্নত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে আন্দোলন করছেন। শিক্ষক সংগঠনগুলোর অভিযোগ, জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়লেও তাদের বেতন এবং সুযোগ-সুবিধা সেই হারে বৃদ্ধি পায়নি।
দ্বিতীয়ত, মেক্সিকোতে নিখোঁজ হাজারো মানুষের সন্ধান এবং এ বিষয়ে সরকারের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ। আন্দোলনকারীরা দাবি করছেন, বিশ্বকাপের মতো বড় আয়োজনকে সামনে রেখে সরকার দেশের সামাজিক ও মানবিক সংকটগুলো আড়াল করার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করছেন, তাদের ন্যায্য দাবি ও বিচার পাওয়ার প্রত্যাশা যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে না।
একটি কথা উল্লেখযোগ্য যে, এখনো পর্যন্ত মেক্সিকো আনুষ্ঠানিকভাবে বিক্ষোভের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তবে খবর রয়েছে, স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করছে।
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক মেক্সিকো দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে। সেই ম্যাচের আয়োজনের প্রস্তুতি যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে, তখন এই বিক্ষোভ আয়োজকদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।
বিশ্বকাপ উপলক্ষে মেক্সিকো সিটিতে ইতোমধ্যেই বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আয়োজকরা আশা করছেন, দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এবং এই বিক্ষোভ টুর্নামেন্ট আয়োজনের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না।
২০২৬ বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজিত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর মাধ্যমে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন