প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইউক্রেনের ক্রমবর্ধমান ড্রোন হামলা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নিজেদের জাহাজে অভিনব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যুক্ত করছে রাশিয়া।
তেলের ট্যাংকারগুলোতে এখন ড্রোন-প্রতিরোধী জাল, ধাতব খাঁচা এমনকি পানির ট্যাংকও লাগানো হচ্ছে। সাগরে ভাসমান এসব জাহাজ এখন অনেকটা ‘ম্যাড ম্যাক্স’ সিনেমার দৃশ্যপটের মতোই মনে হচ্ছে।
সম্প্রতি বসফরাস প্রণালি পার হওয়ার সময় ২৮ বছরের পুরোনো ট্যাংকার ‘কারুজো’-তে এমন একটি দৃশ্য দেখা গেছে। ট্যাংকারটির চারপাশে ড্রোন-প্রতিরোধী জাল এবং ছাদের দিকে খাঁচার মতো কাঠামো ছিল। ড্রোনের আঘাতের শক্তি কমাতে এতে পানির ট্যাংকও সংযুক্ত করা হয়েছে।
বিশ্লেষক ইয়োরুক ইসিক এ প্রসঙ্গে মন্তব্য করেছেন, ‘রিজভেল’ নামের অন্য একটি রুশ ট্যাংকারেও একই ধরনের জাল দেখা গেছে। ট্যাংকার ট্র্যাকার্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা সামির মাদানি জানিয়েছেন, নাবিকেরা ভীতির কারণে নিজেদের ওই কাঠামোর ভেতর অবরুদ্ধ করে রেখেছেন।
মূলত রাশিয়ার সামরিক অর্থনীতি এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত করতে কিয়েভ ড্রোন ও চালকবিহীন নৌযান দিয়ে হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে। ২০২৬ সালের জুলাই থেকে আজভ ও কৃষ্ণসাগরে অন্তত ২১৮টি রুশ-সংশ্লিষ্ট নৌযানে হামলা করা হয়েছে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে।
তবে এসব হামলার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স নভোরোসিস্ক টার্মিনালের কাছে হামলা থামাতে কিয়েভকে অনুরোধ করেছেন। কৃষ্ণসাগরে জাহাজের বিমা ও পরিবহন খরচও বর্তমানে অনেকটাই বেড়ে গেছে।
শুধু জাহাজ নয়, নভোরোসিস্ক নৌঘাঁটির নিরাপত্তাও মস্কো দ্বারা জোরদার করা হয়েছে। স্যাটেলাইট চিত্রে ঘাঁটির চারপাশে বিশাল জাল এবং ব্যারিকেড দৃশ্যমান। এর মাঝে বুধবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, নভোরোসিস্কে তারা একটি ‘অনন্যসাধারণ অভিযান’ পরিচালনা করেছেন। এই অভিযানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের সাহায্যে রুশ জাহাজ, আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এবং বন্দরের অবকাঠামোতে আঘাত হানা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন