প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অস্ট্রেলিয়া এবং ফিজির মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিউজিল্যান্ড বিবেচনা করছে। বৃহস্পতিবার নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সন এ তথ্য জানিয়েছেন।
‘ওশান অব পিস অ্যালায়েন্স’ চুক্তির মাধ্যমে ফিজি অস্ট্রেলিয়ার কিছু নির্ধারিত সামরিক মিত্রের মধ্যে একটি পরিণত হয়েছে। এই জোটের আওতায় দুই দেশই ‘পারস্পরিক প্রতিরক্ষা’ নিশ্চিত করতে বাধ্য থাকবে।
ওয়েলিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি প্রকাশ করেছে।
অস্ট্রেলিয়া এবং ফিজি জানায়, যেসব প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশের নিজস্ব সামরিক বাহিনী রয়েছে, তারা চাইলে এই জোটে যোগদানের সুযোগ পাবে।
লাক্সন বলেন, ‘ফিজি এবং অস্ট্রেলিয়া এই সপ্তাহে সামরিক মিত্র হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। নিউজিল্যান্ড এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে একটি দীর্ঘস্থায়ী ঘনিষ্ঠ সামরিক জোট রয়েছে, যা এখন আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। একই সাথে ফিজির সঙ্গে আমাদের দৃঢ় ও দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক রয়েছে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘নিরাপদ একটি অঞ্চল তৈরি করতে আমরা ইতোমধ্যে দুই দেশের সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ করছি। সুতরাং, এই জোটে তাদের সাথে সম্পৃক্ত হওয়া যৌক্তিক।’
নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্স বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোর নেতৃত্বে সমাধানের পক্ষে দীর্ঘদিন ধরেই এ অঞ্চলের নেতারা অবস্থান নিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া, ফিজি এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অন্যান্য দেশের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তুললে জোটের মাধ্যমে আমরা আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারে পরিণত হব।
নিউজিল্যান্ডের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ক্রিস পেঙ্ক বলেন, এই উদ্যোগ ‘প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঐক্য আরও জোরদারের একটি সুযোগ।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন