০১:৫৮ পি.এম
উপজেলায় ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও। ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (২য় সংশোধিত) এর আওতায় মার্চ ও এপ্রিল মাসে মৎস্য আহরণে বিরত থাকা জেলেদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে জেলেদের মাঝে এসব খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিল আটা, ডাল, তেল, চিনি, আলু ও লবণ, যা পাঁচ শত সুবিধাভোগী জেলেদের জন্য বিতরণ করা হয়।
বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোষণা করেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা আফরোজ। তিনি নিজ হাতে জেলেদের মাঝে এই সব সামগ্রী বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু, চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক হাজী মোতাহার হোসেন, আলমগীর মালতিয়া, বিএনপি নেতা সাবেক পৌর মেয়র হাজী আমিরুল ইসলাম মিন্টি, জেলা বিএনপির সদস্য হাজী হেলালউদ্দিন টিপু, সাবেক উপজেলা যুবদল সভাপতি হাজী আশ্রফুর রহমান দীপু ফরাজী প্রমুখ।
আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবি পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে পলিটেকনিক শিক্ষার্থী গ্রেফতার
এসময় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মোঃ আব্বাছ উদ্দিন, সেক্রেটারি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা দক্ষিণ, উপজেলা যুবদলের নেতা হাজী গিয়াস উদ্দিন, মৎস্য দলের প্রতিনিধি সোহাগ সহ কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তাবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা।
ইউএনও রুমানা আফরোজ বলেন, "ইলিশ আপনাদের আমাদের ও দেশের সম্পদ। এই সম্পদকে রক্ষা করতে হবে।" তিনি উল্লেখ করেন, গত ২ মাস যেমন নিষিদ্ধ সময় জেলেরা ইলিশ আহরণে বিরত ছিলেন, তেমনভাবে যখন সরকার নিষিদ্ধ করবে তখন কেউ মাছ ধরবেন না। তিনি আরও বলেন, "প্রতিবছর সরকার জেলেদের মাঝে গরু ছাগল ও প্রণোদনা দিয়ে থাকেন। এ বছর নতুন করে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে।"
এছাড়া আমন্ত্রিত বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে এবং অভয়াশ্রমগুলো নিরাপদ রাখতে হলে নির্দিষ্ট সময়ে মাছ ধরা বন্ধ রাখতে হবে। জেলেদের এই সময়ের কষ্ট লাঘব করতেই সরকার এই ধরণের মানবিক সহায়তা দিচ্ছে। বক্তারা জেলেদের আইন মেনে চলার এবং জাতীয় সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই সহায়তা প্রান্তিক জেলেদের পরিবারে স্বস্তি আনবে।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু জানান, "আমরা ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের(২য় সংশোধিত) আওতায় খাদ্য সামগ্রী ১২ কেজি আটা, ৮ কেজি ডাল, ৪ কেজি চিনি, ৪ কেজি লবন, ১৬ কেজি আলু ও ১০ লিটার তেল পাঁচ শত সুবিধাভোগী জেলেদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।" তিনি বলেন, "সরকারি এই সহায়তা পাওয়ার পর জেলেরা নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।" তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, নিষিদ্ধ সময় মাছ আহরণ দণ্ডনীয় অপরাধ।
আরও পড়ুন: তিন ম্যাচে হ্যাটট্রিক করা আলেয়ার লক্ষ্য বিশ্বজয়
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন