প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত পরিস্থিতি এবং পুশইন সমস্যা, দুই দেশের পারস্পরিক সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক।
বুধবার (১৭ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে স্থানীয় সময়ে অনুষ্ঠিত নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ব্রিফিংয়ের সময় স্টিফেন ডুজারিককে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন যে, বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তে বর্তমানে শত শত শিশু ও নারীর জীবন চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সেখানে শিশুরা ক্ষুধায় কাঁদছে এবং নারীরা খোলা আকাশের নিচে অমানবিক পরিস্থিতিতে রাত কাটাচ্ছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব এই মানবিক বিষয়টিকে কিভাবে দেখছেন?
জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র বলেন, ‘আমি মনে করি, এই বিষয়টি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। তবে যেকোনো আলোচনার ক্ষেত্রে সীমান্তে আটকে পড়া মানুষের মৌলিক মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদার প্রতি পূর্ণ সম্মান বজায় রাখতে হবে।’
প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতিসংঘের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি ও বাংলাদেশের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে রোহিঙ্গাবিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কয়েক মাস পরেই তিনি বিশ্বসভায় সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করবেন। অন্যদিকে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও দীর্ঘ সময় ধরে শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জাতিসংঘের শীর্ষ স্তরে তাদের এই অবস্থানের ফলে ঝুলে থাকা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত হবে কি না, এ বিষয়ে মুখপাত্রের কাছে প্রশ্ন রাখা হয়।
জবাবে স্টিফেন ডুজারিক স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, ‘সাধারণ পরিষদের সভাপতির মূল ভূমিকা হলো সাধারণ পরিষদের সার্বিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা। তাই জাতিসংঘ মহাসচিব এবং সাধারণ পরিষদের সভাপতির মধ্যে যে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ হবে, তা মূলত সাধারণ পরিষদ-সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হবে। তবে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান ও মানবিক সহায়তার যে নিয়মিত কাজ, তা জাতিসংঘের পক্ষ থেকে যথানিয়মে চলতেই থাকবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন