০২:১৪ পি.এম
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে একই এলাকায় একাধিক প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক সংগঠন গড়ে ওঠার কারনে। বিষয়টি সাংবাদিক সমাজে একধরনের বিচ্ছিন্নতা তৈরি করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে পেশাগত ঐক্য, সমন্বয় ও সম্মিলিত অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, নেতৃত্বের বিরোধ, মতবিরোধ, সংগঠন পরিচালনা নিয়ে অসন্তোষ এবং রাজনৈতিক প্রভাবের কারণেই নতুন নতুন সংগঠনের জন্ম হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে পুরোনো সংগঠনের কার্যক্রম নিয়ে অসন্তোষ থেকে বেরিয়ে এসে আলাদা প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হচ্ছে।
এর প্রভাব পড়ছে সাংবাদিকদের পারস্পরিক সম্পর্ক ও পেশাগত কার্যক্রমে। দাবি-দাওয়া আদায়ে একক অবস্থান নেওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে—কোন সংগঠনটি প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
সচেতন মহল মনে করছে, এ ধরনের পরিস্থিতি সাংবাদিকতা পেশার মান, শৃঙ্খলা ও গ্রহণযোগ্যতার জন্য ইতিবাচক নয়। কারণ এই পেশায় দায়িত্ববোধ, নৈতিকতা ও নির্দিষ্ট মানদণ্ড অনুসরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তারা আরও বলছেন, কিছু ক্ষেত্রে পেশাদারিত্বের ঘাটতি এবং ভিন্ন পেশার ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার কারণে সাংবাদিকতার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এ অবস্থায় একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন ও কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করছেন তারা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাংবাদিকতা কোনো পার্শ্বচর্চা নয়; এটি একটি পূর্ণকালীন ও দায়িত্বশীল পেশা। তাই যথাযথ প্রশিক্ষণ, দক্ষতা এবং নৈতিকতার সমন্বয় অপরিহার্য।
তাদের অভিমত, একাধিক সংগঠন থাকা স্বাভাবিক হলেও তা যেন বিভক্তি সৃষ্টি না করে। বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে ঐক্য বজায় রাখাই সময়ের দাবি। কেননা শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ সাংবাদিক সমাজই পারে পেশার মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষিত রাখতে।
আরও পড়ুন: আন্দোলনের নামে চাপের মধ্যে ছিল অন্তর্বর্তী সরকার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন