প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আফগানিস্তানের বিপক্ষে এক দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ওয়ানডে ব্যাটিং গড়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছেন শুবমান গিল। গড়ের হিসাব অনুযায়ী, তিনি এখন ভিরাট কোহলিকে ছাড়িয়ে গেছেন।
লখনৌতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে, গিল ১১০ বলে ১৫৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। এই ইনিংসের পর ৬৩ ম্যাচে তার মোট রান দাঁড়িয়ে যায় ৩,১৯১, যার গড় ৫৯.০৯। ওয়ানডে ইতিহাসে অন্তত ২ হাজার রান করা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এটি বর্তমান সময়ের সর্বোচ্চ গড়।
অন্যদিকে, ৩১১ ম্যাচে ১৪,৭৯৭ রান করা ভিরাট কোহলির গড় ৫৮.৭১ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গিলের এই কীর্তিতে পেছনে পড়েছেন নিউ জিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেলও, যার গড় ৫৮.৪৭। আফগানদের বিপক্ষে গিলের ইনিংসে ছিল ২২টি চার ও ২টি ছক্কা।
এ তালিকায় এরপর দ্বিতীয় স্থানে আছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ফিনিশার মাইকেল বেভান, যার গড় ৫৩.৫৮ (৬,৯১২ রান)। দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্স তার ক্যারিয়ার শেষ করেছেন ৫৩.৫ গড়ে (৯,৫৭৭ রান)। পাকিস্তানের বাবর আজমও আছেন ৫৩.৪৩ গড়ে।
তবে যদি মানদণ্ড কমিয়ে ১,৫০০ রান ধরা হয়, তাহলে গিল নেমে যান দ্বিতীয় স্থানে। এখানে প্রথম স্থানে রয়েছেন নেদারল্যান্ডসের সাবেক অলরাউন্ডার রায়ান টেন ডেসকাটে, যিনি ৩৩ ম্যাচে ১,৫৪১ রান করেছেন ৬৭ গড়ে। তিনি বর্তমানে ভারতের সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করছেন।
গিলের ক্যারিয়ারের ২০২৩ সালের ২৪ জানুয়ারি নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরির পর ২১ ম্যাচ শেষে তার গড় ছিল ৭৩.৭৬। অন্যদিকে কোহলির ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ গড় ছিল ৬০.৩১, যা তিনি ২০১৯ সালে ২৩৯ ম্যাচ শেষে অর্জন করেছিলেন।
আফগানদের বিপক্ষে ম্যাচটিতে গিল ৭৭ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন, আর ১০৮ বলে পৌঁছান দেড়শতে। শেষ পর্যন্ত নাঙ্গেয়ালিয়া খারোটের বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে আউট হন তিনি।
ম্যাচ শেষে গিল জানান, ডাবল সেঞ্চুরির চিন্তা তার মাথায় ছিল। তবে দলকে বড় সংগ্রহে পৌঁছাতে আক্রমণাত্মক খেলা চালিয়ে যেতে হয়েছে।
গিলের ১৫৪ ও ইশান কিশানের ৭৯ বলে ১২৫ রানের ইনিংসে ভারত ৪৩ ওভারে ৩৬১ রান তোলে। তবে শেষ দিকে নিয়মিত উইকেট হারিয়ে ৪০২ রানে অলআউট হয় দলটি।
পরবর্তীতে ভারত ১৭০ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে সিরিজও নিশ্চিত করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন