প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে মালয়েশিয়া জাতীয় দলকে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স ইউনিট কোনো পাত্তাই দিল না। প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করে জয় তুলে নেওয়ার কাজ সম্পন্ন করেছে মেহরব হোসেন অহিনের দল।
ভূমিকা হিসেবে, দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক ছিলেন জিশান আলম। সফরকারীদের মামুলি লক্ষ্যের বিপক্ষে তিনি বিষ্ফোরক ব্যাটিং প্রদর্শন করেন। মোট ২১ বলে তার ৫৭ রানের ইনিংসে ৭৪ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে এইচপির টাইগাররা।
মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে এইদিন টস জিতে মালয়েশিয়া আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সফরকারীরা চাপে পড়ে যায়। শেষ পর্যন্ত তারা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১০৫ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। অপরদিকে, বাংলাদেশ মাত্র ৭.৪ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয়।
রান তাড়ায় শুরু থেকেই বাংলাদেশ আগ্রাসী ব্যাটিং প্রদর্শন করে। জিশান আলমের ব্যাট যেন আলাদা ছন্দে কথা বলছিল। তিনি মাত্র ২০ বলে ফিফটি তুলে নিয়েছেন। তার বিধ্বংসী এই ইনিংসে দুটি চার এবং সাতটি ছক্কার মার ছিল।
অন্য ওপেনার জাওয়াদ আবরারও দারুণ শুরু করেন, কিন্তু ৮ বলে ২৩ রান করেই ফিরে যান। আরিফুল ইসলাম ৩ বলে ৪ রান এবং সাব্বির রহমান ৮ বলে ১২ রান করে ফিরে যান। তবে এসবের মধ্যেও বাংলাদেশের জয় আটকে যায়নি। জিসানের ঝোড়ো ফিফটি ও দ্রুতগতির রান তোলার সুবাদে ম্যাচটি বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে এবং দাপুটে জয় হাতিয়ে নেয় স্বাগতিকরা।
এর আগে, ব্যাটিংয়ের সময় মালয়েশিয়া আগের ম্যাচের মতোই ব্যাটিং ব্যর্থতায় ভুগতে থাকে। রাকিবুল হাসানের বলে ২০ বলে ১৮ রান করে আসলাম খান বিন মালিক ফিরে যান। এরপর সাইফ উল্লাহ মালিকও কোনো রান না করেই রুবেলের শিকার হন। ফলে তারা দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়।
সেখান থেকে অধিনায়ক সৈয়দ আজিজ ও আহমেদ আকিল ওয়াহিদ দলকে সামলান। তৃতীয় উইকেটে এই দুইজনের ব্যাটে মালয়েশিয়া ঘুরে দাঁড়ায়। আজিজ ৫২ বলে ৪০ রান করেন এবং তার ইনিংসে তিনটি চার ছিল। অন্যদিকে, আহমেদ আকিল ৩৩ বলে ৩০ রান করেন, যেখানে ছিল দুটি ছক্কা। তাদের জুটিতে মালয়েশিয়া ৯০ রানের ঘরে পৌঁছায়।
কিন্তু জুটি ভাঙার পর তারা আর বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি। আহমেদ আকিল শামিম হোসেন পাটোয়ারীর ক্যাচে পরিণত হন আবু হায়দার রনির বলে। শারভিন মুনিয়ান্ডি ৭ বলে ১১ এবং বিজয় উন্নি ৩ বলে ২ রানে অপরাজিত থাকেন। অতিরিক্ত থেকে ৪ রান আসে। সর্বশেষ, মালয়েশিয়া ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১০৫ রান করে ইনিংস শেষ করে।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন আবু হায়দার রনি। তিনি ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। রুবেল ছিলেন আরও কৃপণ, ৪ ওভারে মাত্র ৯ রান খরচ করে ১ উইকেট নেন। রাকিবুল হাসানও ১ উইকেট পান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন