প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দীর্ঘ উত্তেজনার পর অবশেষে একটি স্বস্তির সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। রবিবার ইরান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-কে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কূটনীতির সুযোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ওপর প্রকৃত হামলার সম্ভাবনা স্থগিত করার ঘোষণা দেয়ার পরই এই আনন্দদায়ক খবরটি সামনে এসেছে।
এর আগে, গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ইরান হামলার পরিকল্পনা করে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানে 'ভয়াবহ হামলার' হুমকি দেন। কিন্তু পরিস্থিতি আরও অবনতি ঘটার আগেই আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ থেকে সরে আসে। মূলত ইরানের যুদ্ধের প্রভাব কেবল যে সম্পর্কিত পক্ষগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ তা নয়; বরং এর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নেতিবাচক প্রভাব মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপজুড়ে ক্রমবর্ধমান হচ্ছে।
বিশ্বজুড়ে তেলের মজুত শেষ হতে চলেছে এবং ডিজেল ও সারের মতো কৃষিপণ্যের দাম আকাশচুম্বী হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছে। এ কারণে স্থবির হয়ে পড়া কূটনৈতিক প্রক্রিয়াটিকে আবার সচল করতে অন্যান্য দেশগুলো থেকে ব্যাপক চাপ আসছিল। বিশেষভাবে, হরমুজ প্রণালি হয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর নিরাপদভাবে পারাপারের বিষয়টিকে নিশ্চিত করতে ওমান একটি সমঝোতা প্রস্তাব নিয়ে কাজ শুরু করে।
ওমান সরাসরি শুল্ক আরোপের পরিবর্তে 'সামুদ্রিক পরিষেবা ফি' (ম্যারিটাইম সার্ভিসেস ফি) গ্রহণের একটি ধারণা সামনে এনেছে, যা বর্তমান অচলাবস্থা কাটিয়ে ওঠার জন্য একটি কৌশলগত বিকল্প হিসেবে কাজ করতে পারে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, এই আলোচনার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের ব্যবস্থাপনার রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে। এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে স্থিতি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন