প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের একটি বিলাসবহুল হোটেলে সৌদি আরবের এক যুবরাজের রহস্যজনক মৃত্যু ঘটেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অতিরিক্ত মদ্যপান এবং একাধিক মাদকজাতীয় পদার্থ গ্রহণের কারণে তার হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়। খবরটি প্রকাশ করেছে ডেইলি মেইল।
যুবরাজের নাম হল প্রিন্স আবদুল্লাহ বিন ফাহাদ বিন আবদুল্লাহ বিন আবদুলআজিজ বিন জলাউই আল সৌদ। তার বয়স ছিল ২৯ বছর। গত বছরের ২৫ নভেম্বর পশ্চিম লন্ডনের কেনসিংটনের ম্যারিয়ট হোটেলের একটি কক্ষে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
তদন্ত সূত্র জানাচ্ছে, গত ১৯ নভেম্বর তিনি ওই হোটেলে এক সপ্তাহের জন্য ওঠেন। মৃত্যুর আগের রাতে সিসিটিভি ফুটেজে তাকে হোটেল থেকে বের হয়ে ধূমপান করতে দেখা যায় এবং পরে একাই কক্ষে ফিরে যেতে দেখা যায়।
পরবর্তী দিন, হোটেলের এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী দরজা খোলার পর পঞ্চম তলার কক্ষের বাথরুমের মেঝেতে তাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে নিরাপত্তাকর্মী ও জরুরি চিকিৎসাকর্মীরা ঘটনাস্থলে আসেন তবে তাকে আর বাঁচানোর চেষ্টা করা সম্ভব হয়নি।
ময়নাতদন্ত এবং বিষবিদ্যা (টক্সিকোলজি) পরীক্ষায় দেখা যায়, যুবরাজের রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা ছিল প্রতি ১০০ মিলিলিটারে ২২২ মিলিগ্রাম, যা ইংল্যান্ডে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর আইনি সীমার প্রায় তিন গুণ। এছাড়া, তার শরীরে গামা-হাইড্রোক্সিবিউটিরেট (জিএইচবি) নামে পরিচিত এক ধরনের মাদক, গাঁজা, উদ্বেগ কমানোর ওষুধ অ্যালপ্রাজোলাম (জ্যানাক্স) এবং আরও কয়েকটি ওষুধের উপস্থিতি পাওয়া যায়।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই যুবরাজের শরীরে পূর্বে কোনো গুরুতর বা দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক জটিলতার অস্তিত্ব ছিল না। অ্যালকোহল ও একাধিক মাদক একসঙ্গে গ্রহণের ফলে বিষক্রিয়া ও হৃদ্রোগের সৃষ্টি হয়েছে বলে চূড়ান্ত ময়নাতদন্ত নিশ্চিত করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন