প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপের পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপক্ষে মরক্কো সেয়ানে সেয়ানে টক্কর দিয়েছে। মরক্কো জয় না পেলেও শেষ পর্যন্ত ব্রাজিলকে ১-১ গোলে রুখে দিয়েছে। পুরো ম্যাচে ব্রাজিলিয়ান তারকা ফরোয়ার্ডদের পকেটে পুরে রেখেছিলেন আইয়ুব বুয়াদ্দি। তিনি মাত্র ১৮ বছর বয়সে বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন।
ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হিসেবে মাঠে নেমে অবিশ্বাস্য খেলায় আইয়ুব বুয়াদ্দি তার সম্ভাবনার কথা প্রমাণ করেছেন। বিশ্বকাপের আগে থেকেই আলোচনায় ছিলেন মরক্কোর এই তারকা। ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া এবং সেই দেশের বয়সভিত্তিক দলের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। কিন্তু তিনি মরক্কোর নাগরিকত্ব পাওয়ার আশায় দেশটিতে ছুটছিলেন। সেই সফলতার পর ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচে বিশ্বকাপ অভিষেকে রীতিমতো ঝলক দেখিয়েছেন এই মিডফিল্ডার।
বুয়াদ্দির জন্ম ফ্রান্সের সেলনিসে হলেও তার বাবা-মা মরক্কান। সেই হিসেবে তিনি যে নিজের শেকড়ের সঙ্গে আবেগে আবদ্ধ ছিলেন, তা একবারেই প্রমাণিত। তার পরিবার অভিবাসী হিসেবে ফ্রান্সে এসেছে। তবে ফ্রান্সের মতো ফুটবলের ইতিহাস সমৃদ্ধ দেশকে রেখে মরক্কোকেই বেছে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের জন্য। এটি নিঃসন্দেহে ফ্রান্সের জন্য ক্ষতি, কারণ বুয়াদ্দি কিশোর বয়স থেকেই অসাধারণ প্রতিভা প্রদর্শন করছেন।
পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায়, বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচে ৯১ শতাংশ পাস সফলতা পেয়েছেন এই ১৮ বছর বয়সী মিডফিল্ডার, অর্থাৎ ৬৬টির মধ্যে ৬০টি পাস সফল হয়েছে। ফাইনাল থার্ডে তার সফলতা ছিল শতভাগ (১৬ তে ১৬)। এছাড়া, বুয়াদ্দি ৬টি বল রিকভারি, ৫টি ইন্টারসেপশন ও ৯টি ডুয়েলে জয়ী হয়েছেন। এর ফলে, তিনি প্রথমবার বিশ্বকাপ মঞ্চ এবং ব্রাজিলের মতো পরাশক্তির বিপক্ষে স্নায়ু ও সামর্থ্যের লড়াইয়ে পুরোপুরি জয়ী হয়ে ফুটবল ভক্তদের নজর আকর্ষণ করেছেন।
এছাড়া, বুয়াদ্দি কোন দেশের জাতীয় দলের জার্সি পরবেন তা নিয়ে ফ্রান্স ও মরক্কোর মধ্যে টানাপোড়েন ছিল। সবশেষে মরক্কোকেই তিনি বেছে নেন। মরক্কোর হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নিশ্চিত হওয়ার পর বুয়াদ্দি বলেছিলেন, "আমি আমার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং এ নিয়ে আমি খুব গর্বিত।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন