প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুদ্ধবিরতির পরেও গাজায় থামছে না ইসরাইলি হামলা। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই)ও দখলদাররা নুসেইরাত শরণার্থী শিবির ও খান ইউনিসে আলাদা ড্রোন হামলা চালিয়েছে। চলমান হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত চার জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১২ জন। এছাড়া অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি অভিযানে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গাজায় কাগজে-কলমে যুদ্ধবিরতি থাকা সত্ত্বেও মাঠের বাস্তবতা ভিন্ন। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময়ে ইসরাইল ড্রোন হামলা চালিয়েছে। মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে এবং দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে আলাদা ড্রোন হামলায় আহতদের খবর দিয়েছে জরুরি সেবা কর্তৃপক্ষ। এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনির প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।
গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইলের হামলায় নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজারের অধিক। আহত হয়েছেন এক লাখ ৭৩ হাজারের বেশি। গেল বছরের অক্টোবরের যুদ্ধবিরতির পর এক হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে বিভিন্ন রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, ধ্বংসস্তূপ সরানো গাজার পুনর্গঠনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গাজা সিটি মেয়র রুশদি আল-সাররাজ জানিয়েছেন, পুরো উপত্যকায় প্রায় ৬ কোটি ৮০ লাখ টন ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে রয়েছে।
সড়ক সচল করা গেলেও আবাসিক, বাণিজ্যিক ও সরকারি ভবনের ধ্বংসস্তূপ সরাতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর আরও দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বাহিনী অভিযানে অব্যাহত রেখেছে। সিলওয়ান এলাকায় ফিলিস্তিনি তরুণদের ওপর হামলার পাশাপাশি গ্রেফতারও হয়েছে। একই এলাকায় একটি নরসুন্দর দোকান ও একটি বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। এছাড়া, জেরুজালেমের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মিখমাসে স্থানীয় কাউন্সিল ভবন দখল করে সেখানে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছে ইসরাইলি বাহিনী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন