প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শনিবার উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনা করার জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করার জন্য আলোচনা করা খুবই জরুরি, যাতে উত্তেজনা কমিয়ে আনা যায়।
কোরিয়ার মুক্তির বার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক ভাষণে লি বলেন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য দুই কোরিয়ার আলোচনায় বসা জরুরি। তিনি ১৯৫০-৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধের স্থায়ী অবসান নিশ্চিত করার জন্য উত্তর কোরিয়া ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মধ্যে সংলাপের আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, ওই যুদ্ধ কখনোই শান্তি চুক্তির মাধ্যমে শেষ হয়নি, বরং তা যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে থামানো হয়েছিল।
লি আরও বলেন, আলোচনার মাধ্যমে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের একটি কার্যকর উপায় খুঁজে পাওয়া যেতে পারে।
এছাড়াও, সংঘাত এড়াতে দক্ষিণ কোরিয়া আগাম ও ধারাবাহিকভাবে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, পরিস্থিতির অবনতি রোধে সিউল ধাপে ধাপে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করবে। একই সাথে কোরীয় উপদ্বীপে চলমান যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে একটি স্থায়ী শান্তি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করবে।
লির এই উদ্যোগ মূলত গত বছর উত্তর কোরিয়ার রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে সম্মান জানানো এবং পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করার যে প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন, তারই ধারাবাহিকতা।
যাহোক, দক্ষিণ ও উত্তর কোরিয়ার সম্পর্ক এখনও অচলাবস্থায় রয়ে গিয়েছে।
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন পিয়ংইয়ংয়ের পুনর্মিলন নীতি বাতিল করেছেন। তিনি দক্ষিণ কোরিয়াকে উত্তর কোরিয়ার সবচেয়ে শত্রুভাবাপন্ন রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করে সীমান্তে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছেন।
উত্তর কোরিয়া প্রেসিডেন্ট লির আলোচনার প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেছে। এক্ষেত্রে দেশটি দক্ষিণ কোরিয়ার পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরির পরিকল্পনাকে সমালোচনা করেছে।
এছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়াকে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে নিন্দা করেছে।
জাপানের সঙ্গে সম্পর্কের সম্পর্কে লি অতীতের ইতিহাসের মুখোমুখি হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য নতুন সুযোগ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী’ জাপানের সঙ্গে শান্তি ও সমৃদ্ধির নতুন ৬০ বছরের সম্পর্ক গড়ে তোলার ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন