প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাবার পৈত্রিক সম্পত্তি এবং ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের বিরোধে ষড়যন্ত্রমূলক একের পর এক মিথ্যা মামলায় ভাইদের আসামি করে হয়রানি করছে। এসব মামলার সংবাদ প্রকাশ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিক বশির খলিফার বিরুদ্ধেও একটি মামলায় আসামি করিয়েছে। ঢাকায় একটি বাদী সংগ্রহ করে জুলাই গণহত্যার একটি মামলা দায়ের করান সেই মামলায় তার ভাই শামীম আহমেদ ও বশির খলিফা কে আসামি করা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঝালকাঠির স্বনামধন্য শাহী ৯৯ কোম্পানির মালিকানা নিয়ে ভাইদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। প্রতিষ্ঠানটি বেশ কিছু দিন ধরে দুটি ভাগে চলছে। এরপরে কোম্পানির ট্রেড লাইসেন্স, ট্রেডমার্ক নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয় বড়ভাই সামসুল হক মনুর সঙ্গে ছোটভাই আরিফের।
আরিফুল হক শাহী ৯৯ কোম্পানির ট্রেডমার্ক মালিকানা নিয়ে মেজভাই শামীম আহাম্মেদ এর সাথে ব্যবসা শুরু করেন।
এরপর থেকে সামসুল হক মনু একের পর এক ষড়যন্ত্র শুরু করেন বলে আরিফের পরিবার দাবি করেছে। শাহী ৯৯ কোম্পানির ট্রেডমার্ক না পেয়ে অবৈধভাবে আদী শাহী ৯৯ নামে জর্দা তৈরি করে আসছেন সামসুল হক মুন । এমন সংবাদের ভিত্তিতে আরিফের স্ত্রী রোজি বেগম ত্রিপল নাইনে ফোন দিয়ে পুলিশকে অবহিত করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজখবর নেন। এ সময় ওই ঘটনার সংবাদ শুনে বেশ কিছু সাংবাদিকরা ছুটে যান কোম্পানিতে এবং সত্যতা যাচাই করে তারা নিউজ করেন। ওই নিউজ করার পর থেকেই সাংবাদিক বশির খলিফার উপরে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন শামসুল হক মনু।
ট্রেডমার্কের মালিক আরিফুল হক অবৈধভাবে আদী শাহী ৯৯ নামে জর্দা তৈরির বিরুদ্ধে ঝালকাঠি আদালতে ট্রেডমার্ক মামলা করেন। এরপর থেকেই বিভিন্নভাবে মামলা-হামলা শুরু করেন সামসুল হক মনু। এমন কি বিভিন্ন নামে-বেনামে ফেসবুক খুলে ভুয়া আইডি দিয়ে চলে আরিফুল হকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার।
সম্প্রতি ব্যবসায়িক কাজে কোম্পানির জর্দা তৈরির তামাক আনার জন্য রংপুরে যায়। সেখানে আরিফুল হক ও তার মেজভাই শামীম আহাম্মেদ অবস্থান করেন। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে সামসুল হক মনু তাদেরকে মামলার জালে ফাঁসান। সেখানে চার পিস বিয়ারের ক্যান দিয়ে একটি মামলায় শামীম আহমেদ ও আরিফুল হককে আসামি করা হয়। এরপর থেকে একের পর এক মামলায় আসামি করা হয় তাদের দুই ভাইকে। আর এ সকল মামলার পিছনে কালো ছায়ার মত মামলার বাদি জোগাড় করে রাজনৈতিক মামলা তৈরি করে সেই মামলায় আসামি করা হচ্ছে তার সহধর দুই ভাইকে। এমনকি এই বিষয়ে কোন সাংবাদিক নিউজ করলে তাদেরকেও মামলার হুমকি দিয়ে আসছেন শামসুল হক মনু। এখন তার মামলার ভয়ে অনেকেই কথা বলেন না। এই শামসুল হক মনু ঝালকাঠি পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। ৫ই আগস্ট এর পরে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলেও শামসুল হক মনুর বিরুদ্ধে কোন আইনি প্রক্রিয়া বা কোন মামলা হয়নি। অর্থের জোরে বর্তমানে সকলকে ম্যানেজ করে বহাল তবিয়াতে ক্ষমতা ব্যবহার করে যাচ্ছেন।
বর্তমানে আরিফুল হক ও শামীম আহমেদ জেল হাজতে আছেন।
এর পরে সামসুল হক মনুর মামলার জাল আরো বড় হয়। পরিবার আরো অভিযোগ করেন, মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সামসুল হক মনু একের পর এক রাজনৈতিক মামলায় আসামি করেছে। শামীম আহমেদ আরিফুল হককে আসামি করে জেলে রেখে সম্পত্তি দখল নেওয়ার চেষ্টা করছেন শামসুল হক মনু।এমন অভিযোগ করেছেন আরিফের পরিবার।
বর্তমানে ঝালকাঠি এবং ঢাকায় বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক মামলায় আসামি করা হয়েছে তাদেরকে। আরিফুল হক কোনদিন কোন রাজনৈতিক দলের মিছিল মিটিংয়ে যায়নি বা রাজনীতি করেনি। ঝালকাঠি জেলার সকলে জানেন যে, আরিফুল হক গরিব-দুঃখী এবং অসহায় মানুষের পাশে থেকে সব সময় কাজ করেছেন বলেও জানান তার স্ত্রী রোজি বেগম।
অথচ পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হয়ে শামসুল হক মনু বিভিন্ন নির্বাচনে কেন্দ্র দখল সহ বিভিন্ন অপকর্ম করেছেন। তার বিরুদ্ধে আইনি কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
শামসুল হক মনু শাহী কোম্পানি পুরো দখলে নিতে শামীম আহমেদ ও আরিফের পরিবারকে মামলা দিয়ে ষড়যন্ত্র করে চলছে। তাই প্রশাসনের কাছে মামলার সুষ্ঠ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়াসহ ন্যায় বিচারের দাবি পরিবারের। একজন নিরীহ ব্যবসায়ি মানুষ ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যে মামলায় আসামি করা হয়েছে। যা শামসুল হক মনু এর পিছনে থেকে অর্থ দিয়ে মামলার ষড়যন্ত্র করছে। পরিবার আরিফুল হকের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা থেকে মুক্তির দাবি জানান এবং সাংবাদিক বশির আলম খলিফার বিরুদ্ধে যে মিথ্যা মামলাটি বাদী জোগাড় করে বসিয়েছেন এই মামলা থেকে প্রত্যাহারের দাবী জানান ঝালকাঠি গণমাধ্যমকর্মীরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন