প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের একটি ফল ও সবজির দোকানে দেখা মিলেছে এক রহস্যময়, বিরল এবং খুব চমৎকার আপেলের। আপেলটির অর্ধেক অংশ উজ্জ্বল লাল এবং বাকি অর্ধেক অংশ নিখুঁতভাবে হলুদ রঙে বিভক্ত। এই অবিকল মাঝখান থেকে দুই রঙে ভাগ হয়ে আছে এমন আপেলটি বর্তমানে দোকানটিতে অসংখ্য দর্শনার্থীর ভিড় আকৃষ্ট করছে।
গত মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে, ক্রাইস্টচার্চের মাইরেহাউ উপশহরের 'সানশাইন কর্নার মার্কেট' নামক দোকানে পাকা, রসালো ও মিষ্টি লাল আপেলের একটি চালানে এই অদ্ভুত ফলটি খুঁজে পাওয়া যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের দুই রঙের আপেল পাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল এবং এটি প্রায় ১০ লাখে একটি ঘটে। মূলত, এটি একটি বিশেষ জেনেটিক মিউটেশন বা জিনগত পরিবর্তনের কারণে ঘটে থাকে। ফলটি যখন বড় হতে শুরু করে, তখন এর কোষগুলো দুটি ভিন্ন জিনগত বৈশিষ্ট্যে বিভক্ত হয়ে যাওয়ার ফলেই এমন রঙের নিখুঁত পার্থক্য তৈরি হয়।
স্থানীয় গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে দোকানের মালিক হিদার জানান, আপেলটি এখন এলাকার মানুষের মধ্যে এক বিরাট কৌতূহলের বিষয় হয়ে উঠেছে। তিনি জানান, ‘যারা এটি দেখছেন, তারা বাড়ি গিয়ে তাদের জীবনসঙ্গীকে জানালে অনেকেই তা বিশ্বাস করতে চান না। ফলে অনেকেই সত্যতা প্রমাণ করতে তাদের সাথে নিয়ে পুনরায় দোকানে ফিরে আসছেন।’ ইতোমধ্যে প্রচুর দর্শনার্থী এই অদ্ভুত সুন্দর ফলের ছবি তুলে নিয়ে গেছেন।
হিদার আরও বলেন, বহু বছর ধরে ফলের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকলেও তিনি এর আগে কখনো এমন নিখুঁত দুই রঙের আপেল দেখেননি। এমনকি কিছু ক্রেতা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার আগে নিজেদের ভাগ্য পরীক্ষার জন্য এই আপেলটি একবার ছুঁয়ে দেখারও অনুরোধ করছেন।
অপরূপ এই আপেলের পচন রোধ করতে এবং স্থায়িত্ব বাড়াতে সেটিকে একটি রেফ্রিজারেটরে যত্ন সহকারে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। তবে দোকান মালিক জানিয়েছেন, এটি স্থায়ীভাবে কোনো উপায়ে সংরক্ষণ করা হবে নাকি কেটে এর ভেতরের অংশটি পরীক্ষা করে দেখা হবে—সে বিষয়ে খুব শীঘ্রই তারা একটি নির্দেশনা নেবেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন