প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বলিউড অভিনেত্রী অনন্যা পান্ডে এবং শিকাগোর সাবেক মডেল ওয়াকার ব্লাঙ্কোর দীর্ঘ দুই বছরের সম্পর্কে ফাটল ধরেছে। গুঞ্জন ছিল বেশ কিছুদিন ধরেই, তবে সম্প্রতি জানা গেছে যে এই দুই তারকা তাদের সম্পর্কের ইতি টেনেছেন।
বিনোদনমূলক সংবাদমাধ্যম ই-টাইমসের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত সপ্তাহে অনন্যা নিজেই এই সম্পর্ক ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সূত্র মারফত আরও জানা গেছে, তাদের এই বিচ্ছেদটি সম্পূর্ণ পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমেই ঘটেছে এবং একে অপরের প্রতি কোনো বিদ্বেষ বা ক্ষোভ নেই।
হাই-প্রোফাইল একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎ হয়েছিল অনন্যা এবং ওয়াকারের। এরপর গত দুই বছর ধরে একাধিকবার তাদের একসঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামেও একে অপরের পোস্ট এবং ছবিতে প্রায়ই তাদের উপস্থিতি লক্ষ করা যেত। যদিও তারা কখনো জনসমক্ষে সম্পর্কের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেননি, তবু অনুরাগীদের কাছে তাদের প্রেমের বিষয়টি বেশ স্পষ্ট ছিল।
ওয়াকার ব্লাঙ্কো পেশায় শিকাগোর একজন সাবেক মডেল, যিনি বলিউডের বেশ কয়েকজন তারকা ও প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে সখ্যের সুবাদে বি-টাউনের পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন। অনন্যার ঘনিষ্ঠ জন্মদিনের আয়োজনেও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি। সে সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনন্যার উদ্দেশে এক আবেগঘন বার্তায় ওয়াকার লিখেছিলেন, ‘শুভ জন্মদিন সুন্দরী, তুমি সত্যিই অনন্য। তোমাকে ভালোবাসি, অ্যানি!’ এই বার্তার পরেই ভক্তদের ধারণা দৃঢ় হয় যে তারা প্রেম করছেন। এমনকি অনন্যাকে ওয়াকারের নামের প্রথম অক্ষর লেখা একটি গলার চেইন বা নেকলেস পরতেও দেখা গিয়েছিল।
সম্পর্ক ভাঙনের এই গুঞ্জনের আবহেই ভালোবাসা ও সম্পর্ক নিয়ে অনন্যার একটি পুরোনো সাক্ষাৎকার নতুন করে আলোচনায় এসেছে। হেলথ শটসকে দেওয়া সেই সাক্ষাৎকারে অনন্যা ভালোবাসার সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন, শাহরুখ খান স্যারের সেই বিখ্যাত উক্তির মতো তার কাছেও ভালোবাসা মানেই বন্ধুত্ব। এটি কেবল পারস্পরিক বোঝাপড়া, বিশ্বাস এবং নিজের মতো থাকার স্বাধীনতার ওপর নির্ভর করে। তিনি বিশ্বাস করেন, ভালোবাসা কেবল কোনো রোমান্টিক সম্পর্কের গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি সব জায়গাতেই বিদ্যমান।
নিজের চিন্তাধারার পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে অনন্যা আরও যোগ করেন যে, একদম ছোটবেলায় তিনি ভাবতেন জীবনে কেবল একটাই বড় ভালোবাসা থাকে এবং অন্য কারও জন্য আর ভালোবাসা অনুভব করা যায় না। কিন্তু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই ধারণায় বদল এসেছে। এখন তিনি তার বন্ধু, পরিবার এবং অনেক মানুষের প্রতিই ভালোবাসা অনুভব করেন। ফলে একক কোনো ‘সোলমেট’ বা জীবনসঙ্গীর সঙ্গে ভালোবাসাকে বেঁধে রাখার ধারণাটি তার কাছে পরিবর্তিত হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন