প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির উপায় নিয়ে আলোচনা করেছেন দুই দেশের ব্যবসায়ী এবং সরকারি প্রতিনিধিরা। বিশেষভাবে কৃষি, মৎস্য, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হালাল খাদ্য, পর্যটন, স্বাস্থ্যসেবা এবং উৎপাদনশিল্পে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) ব্যাংককের একটি বৈঠকে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী থাইল্যান্ডের চেম্বার অব কমার্স ও বোর্ড অব ট্রেডের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনা করেন। এই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন থাই চেম্বার অব কমার্সের চেয়ারম্যান ড. পোজ আরামওয়াত্তানন্ট।
বৈঠকে থাইল্যান্ডের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা করা হয়। দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ককে জোরদার করা এবং নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে সম্ভাবনাময় খাতগুলো চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বাংলাদেশ মিশন, ব্যাংকক থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তানভীর শাহরিয়ার ঘানি, অর্থসচিব ড. খায়রুজ্জামান মজুমদার এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আহসান হাবিব এবং থাইল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আন্দালিব ইলিয়াসও বৈঠকে অংশ নেন।
থাই প্রতিনিধিদলে ছিলেন দেশটির বোর্ড অব ট্রেডের উপদেষ্টা ভিবেকে লিস্যান্ড লেইরভাগ ও সংস্যাং পাতাভানিচ, বোর্ড অব ট্রেডের উপমহাসচিব এবং দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ওয়ার্কিং কমিটির প্রধান প্রিম জিতচারুংফর্ন, কমিটির উপপ্রধান পোজ্জানা পানিয়াংভাইত এবং থাইল্যান্ড-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ইয়ংইয়োস ফলতানাওয়াত।
বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, স্বাস্থ্যসেবা এবং উৎপাদনশিল্পকে সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে দেখা হচ্ছে। থাইল্যান্ডের অভিজ্ঞতা এবং বিনিয়োগ কাজে লাগিয়ে এসব খাতে যৌথ উদ্যোগের সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে, থাই বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেলে রপ্তানি বহুমুখীকরণেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে বৈঠকে নির্দিষ্ট কোনো বিনিয়োগের পরিমাণ, প্রকল্প বা চুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্তের তথ্য জানানো হয়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন