প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মরক্কোর বিপক্ষে ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করার পর, ব্রাজিল দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতির বিরুদ্ধে স্বস্তির সঙ্গে জয় পেয়েছে।
মাতেউস কুনিয়ার জোড়া গোল এবং ভিনিসিউস জুনিয়রের একটি গোলের ফলে, ৩-০ ব্যবধানের এই জয়ে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা গ্রুপ টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে।
বড় জয় পেয়েও ক্যানারিনহারা একদম নির্ভার থেকে মাঠ ছাড়তে পারেনি। প্রথমার্ধ শেষে দলের গুরুত্বপূর্ণ তারকা রাফিনিয়া অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন।
ব্রাজিলের জয়ের আনন্দের মাঝেই রাফিনিয়ার চোট বিষয়ক উদ্বেগ এখন মূল আলোচনায় পরিণত হয়েছে। ম্যাচের ৪০তম মিনিটে বার্সেলোনার এই উইঙ্গার হ্যামস্ট্রিংয়ে ব্যথা অনুভব করেন এবং তাকে বদলি করা হয় বর্নমাউথের তরুণ রায়ানের সঙ্গে। এ মৌসুমে হ্যামস্ট্রিং সমস্যার ইতিমধ্যে তার একটি ইতিহাস রয়েছে, তাই উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
ব্রাজিলের মেডিকেল স্টাফ এখন রাফিনিয়ার ইনজুরির প্রকৃত অবস্থার বিষয়ে যাচাই করবে। ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছেন, তিনি এখনও ইনজুরির তীব্রতা সম্পর্কে নিশ্চিত নন। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, 'রাফিনিয়াকে আগামীকাল পরীক্ষা করা হবে, এখনই আমরা জানি না কী হয়েছে।'
মিডফিল্ডার লুকাস পাকেতাও সতীর্থের অবস্থা নিয়ে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, 'আমরা সবাই চিন্তিত। আশা করি এটা গুরুতর কিছু নয়। এখনও কিছু জানা যায়নি, তাকে পরীক্ষা করাতে হবে।'
কনফেডারেশন অব ব্রাজিল ফুটবল পরবর্তীতে একটি বিবৃতি প্রদান করেছে, যেখানে বলা হয়েছে, 'রাফিনিয়া হাইতির বিপক্ষে ম্যাচের প্রথমার্ধে তার ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে ব্যথা অনুভব করেন। খেলোয়াড়টির ইতিমধ্যে চিকিৎসা শুরু করা হয়েছে এবং তাকে পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। আমরা আরও তথ্য পাওয়া গেলে আপনাদের জানাবো।'
🚨 𝗝𝗨𝗦𝗧 𝗜𝗡: Raphinha was seen limping slightly while leaving the stadium. His feelings are not good. Tests to follow.
— @AbrahamPRomero pic.twitter.com/cyfdwNpmmJ
রাফিনিয়ার এই চোট ব্রাজিলিয়ানদের জন্য এক বড় ধাক্কা হতে পারে। তার চোটটির গুরুত্ব পরীক্ষার পরই জানা যাবে। তবে বাস্তবতা ইঙ্গিত করছে, এই ধরনের হ্যামস্ট্রিং সমস্যা থেকে সুস্থ হতে সাধারণত ৩–১০ দিন বা তার বেশি সময় লাগতে পারে। পুরো ব্যাপারটা ইনজুরির গ্রেডের ওপর নির্ভর করছে।
গ্রুপ পর্বে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের শেষ ম্যাচ আগামী ২৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাৎ খেলার মতো ফিট হয়ে ওঠার জন্য এই উইঙ্গারের হাতে মাত্র ৪ দিন সময় রয়েছে। ইনজুরি গুরুতর হলে তিনি টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যেতে পারেন। এটি ব্রাজিলকে নতুন সংকটে ফেলতে পারে, কারণ নীতিমালা অনুযায়ী টুর্নামেন্টের এই ধাপে চোটগ্রস্ত খেলোয়াড়ের বদলি নেয়ার সুযোগ নেই।
তবে, ব্রাজিল সমর্থকদের জন্য আনন্দের সংবাদও দিয়েছেন আনচেলত্তি। স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগেই নেইমার পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠবেন এবং সেই ম্যাচে খেলার জন্য প্রস্তুত থাকবেন। শেষ পর্যন্ত তিনি মাঠে নামতে পারলে, ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর প্রথমবারের মতো ব্রাজিলের জার্সিতে দেখা যাবে নেইমারকে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন