প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মন্তব্য করেছেন যে, আগামী স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে বিএনপি কোনো কলঙ্ক গ্রহণ করবে না। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপি জনগণের সরকার এবং আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার জন্য যা যা প্রয়োজন, তা করবে। প্রধানমন্ত্রীরও এই বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে। তিনি বলেন, "নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক বিএনপি নেবে না।" মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করার জন্য যা কিছু প্রয়োজন, তা করা হবে এবং নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
বুধবার কুড়িগ্রামে এক দিনের সফরের শুরুতে সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাস থেকে স্থানীয় নির্বাচনগুলো শুরু হবে এবং ৬ জুনের মধ্যে তা শেষ হবে। তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকলকে মানসিকভাবে প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, "আমরা স্থানীয় প্রশাসনকে নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু করার জন্য সহযোগিতা করব।"
বিরোধী দল সম্পর্কে তিনি বলেন, বিরোধী দল যে কোনো বিষয়ে সরকারের ওপর দায় চাপাতে পারে, এটি গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। তিনি উল্লেখ করেন, "বিরোধী দলের দায়িত্ব যে কোনো বিষয়ে সরকারকে দায়ী করা।" তিনি বলেন, জনগণই নির্ধারণ করবে সরকার কোথায় ব্যর্থ হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরকার অত্যন্ত সচেতন এবং বিষয়গুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
কুড়িগ্রামে সার সংকটের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় যেখানে বিএনপির সদস্যরা নির্বাচিত হয়েছেন, সেখানে সারের সংকট নিয়ে কোনো আন্দোলন হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, "বিএনপিকে জনগণের কাছে বিভ্রান্ত ও হেয় করার জন্য সারের সংকটের আন্দোলন করা হয়েছে।" সরকারের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে এবং এটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
জ্বালানি সংকটের বিষয়ে তিনি জানান, গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট মোকাবেলায় সরকারের স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, "ইতোমধ্যে কিছুটা সংকট কেটে গেছে।" গ্যাস ও বিদ্যুতের সমস্যার পূর্ণাঙ্গ সমাধান পেতে আরও কিছু সময় প্রয়োজন হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও রংপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহামুদল হক চৌধুরী ডন, লালমনিরহাট জেলা পরিষদ প্রশাসক মমিনুল, কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব, ড্যাবের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ডাক্তার ইউনুস আলী, সাবেক পৌর মেয়র আবু বক্কর সিদ্দিক প্রমুখ।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুবার রহমান, সদস্য সচিব আবু হানিফ বিপ্লব, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর বিপ্লব, যুবদল নেতা নাসিম পারভেজ তারা, নাদিম আহমেদ, এটিএম নজিবর রহমান লেলিন, মাসুদ রানা বাবু, হাসান যুবায়ের হিমেল, আমিমুল এহসান, ছাত্রদল সভাপতি আশরাফুল হক বিপুল, সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি রেশমা সুলতানা, সাধারণ সম্পাদক মোসলেমা খাতুন মিলিসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী কুড়িগ্রাম সার্কিট হাউসে পৌঁছালে তাকে গার্ড অব অনার দেয় স্থানীয় প্রশাসন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন