প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাবনায় পদ্মা নদীর পাড়ে বস্তাবন্দি নবম শ্রেণির ছাত্রী রিয়া খাতুন (১৫) হত্যার রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ।
নিহত রিয়া খাতুন (১৫) সদর উপজেলা ভাড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুরের আজিজুল প্রামানিকের মেয়ে।
বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যা ৬টা সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনুর রহমান জেলা পুলিশের কার্যালয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, স্থানীয়দের তথ্যানুসারে আজ সকালে ভাড়ারা ইউনিয়নের পিরপুর এলাকার পদ্মা নদীর তীরে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
তিনি আরও বলেন, গতকাল সকালে ১১টায় রিয়া খাতুন নাঈমের বাসায় বেড়াতে যায়। সেখানে উভয়ের মাঝে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও কিছু আর্থিক লেনদেন নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা তীব্র বিরোধে পরিণত হয়। এক পর্যায়ে নাঈম ভিকটিমকে ধারালো চাকু প্রদর্শন করে ভয়ভীতি দেখায়। পরবর্তীতে অভিযুক্ত নাঈম রিয়া খাতুনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
এই হত্যার ঘটনায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। হত্যার ঘটনা পরিচালনায় ব্যবহৃত সাদা পাইভেট কারও উদ্ধার করা হয়েছে। জানা গেছে, নাঈম ও রিয়া খাতুন সম্পর্কে চাচাতো ভাই বোন।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন, সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর এলাকার মৃত কাশেম প্রামানিকের ছেলে নাঈম, শফিক শেখের ছেলে ইয়াসিন শেখ এবং শিমুল প্রামাণিকের ছেলে তুহিন প্রামানিক।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন