প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিলেট, ৫ আগস্ট, ২০২৬ : পাট, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির আজ বলেছেন, দেশে জ্বালানি খাতের বর্তমান সংকটের মূল কারণ হলো বিগত ১৭ বছরের সরকারের চরম অব্যবস্থাপনা। বর্তমান সময়ে সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা।
তিনি সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভা এবং শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ আমদানিকৃত গ্যাসের ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে এবং নতুন বিনিয়োগ আনতে সরকারের কিছুটা সময় প্রয়োজন রয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কিছুটা ব্যাহত হতে পারে, তবে সার্বিক স্বার্থে এটি মেনে নেওয়ার জন্য তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি উন্নয়নকে একটি সম্মিলিত প্রয়াস হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তরুণদের শক্তি সামাজিক শক্তি হিসেবে যেন টিকে থাকে এবং এটি কোনোভাবেই যেন বিনষ্ট না হয়। কেননা এটি দেশকে এগিয়ে নেওয়ার অন্যতম পূর্বশর্ত। সরকারের উদ্দেশ্য হলো আগামীদিনের কাঙ্ক্ষিত নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তরুণদের এই শক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো।
অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে জুলাই যোদ্ধারা সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে অবমূল্যায়িত হওয়ার অভিযোগ উত্থাপন করেন। জুলাই যোদ্ধা লিটন আহমদ বলেন, পর্যাপ্ত মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জুলাইয়ের মামলাগুলোর দ্রুত অগ্রগতির দাবি করেন।
এ সময় শহীদ পাভেলের বাবা মন্ত্রীকে গোলাপগঞ্জের সাত শহীদের কবর জিয়ারতের অনুরোধ জানান। শহীদ সাংবাদিক এ টি এম তুরাবের ভাই জাবুর আহমদ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করেন।
সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালিক অনুষ্ঠানে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে। জুলাই যোদ্ধারা জাতির গর্বিত সন্তান, তাদের কোনোভাবেই অবমূল্যায়ন করা যাবে না।
এই অনুষ্ঠানে সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীমসহ স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে ১৪টি শহীদ পরিবারকে সংবর্ধনা ও আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন