প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নাগরিকত্ব আবেদন পরবর্তী দীর্ঘসূত্রতায় চরম হতাশায় পর্তুগালের কয়েক লাখ অভিবাসী।
বছরের পর বছরের অপেক্ষায় থাকা এসব অভিবাসীরা রেসিডেন্স পারমিট নবায়ন করতে গিয়েও পড়ছেন চরম ভোগান্তিতে।
পর্তুগালের জাতীয় পরিচয়পত্র বা সিটিজেন কার্ড এবং পাসপোর্ট ইস্যু নবায়ন সহ বিভিন্ন সিভিল রেজিস্ট্রির দায়িত্বে থাকা সংস্থা ইনস্টিটিউট অব রেজিস্ট্রিস অ্যান্ড নোটারি। দেশটিতে বসবাসরত অভিবাসীদের নাগরিকত্ব আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে নাগরিকত্ব দেয়ার কাজটিও করে এই সংস্থা।
সাম্প্রতিক সময়ে বিপুল সংখ্যক আবেদনের বিপরীতে স্বল্প জনবলের কারণে নাগরিকত্ব আবেদন প্রক্রিয়ায় সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘ জট।
কয়েক বছর আগে আবেদনের ৬ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যে নাগরিকত্ব মিললেও বর্তমানে অপেক্ষার সময় বেড়েছে কয়েক গুণ। অফিস ভেদে বর্তমানে অভিবাসীদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে আড়াই থেকে ৪ বছরেরও বেশি সময়।
অন্যদিকে নাম বা কাঠামোগত নানা পরিবর্তন আনা হলেও সেবার মানে খুব একটা পরিবর্তন আনতে পারেনি দেশটিতে থাকা অভিবাসীদের রেসিডেন্স পারমিট ইস্যু ও নবায়নের দায়িত্বে থাকা সংস্থা এজেন্সি ফর ইন্টিগ্রেশন, মাইগ্রেশন অ্যান্ড এসাইলাম।
সব শর্ত পূরণের পরও রেসিডেন্স পারমিট ইস্যু এবং নবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা আর ভোগান্তির শেষ নেই অভিবাসীদের। আইন মেনে বসবাস এবং জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পরও নাগরিকত্ব পেতে ভোগান্তি ও দীর্ঘসূত্রিতায় চরম হতাশ অভিবাসীরা।
পরিসংখ্যান বলছে, দেশের মোট ৪২৮ টি আইআরএনে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকা নাগরিকত্ব আবেদনের সংখ্যা ৫ থেকে ৭ লাখ, যা সক্ষমতার তুলনায় অকল্পনীয়। অন্যদিকে নানা পদক্ষেপ স্বত্ত্বেও আইমায়ও ঝুলে আছে বিপুল সংখ্যক রেসিডেন্স পারমিটের আবেদন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন