প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হরমুজ প্রণালী মাইনমুক্তকরণে সহযোগিতার জন্য ফ্রান্স-সমর্থিত একটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। একইসঙ্গে, প্যারিসকে সতর্ক করা হয়েছে এমন উস্কানিমূলক আচরণের বিরুদ্ধে যা এই সংবেদনশীল সামুদ্রিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
ইরানের আইন ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদী সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে বলেছেন, ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, কৌশলগত এই জলপথে মাইন নিষ্ক্রিয়করণ অভিযান ‘একচেটিয়াভাবে ইরান’ পরিচালিত করবে। অন্য কোনো দেশ এতে সম্পৃক্ত নয়।
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, মাইন অপসারণ কার্যক্রমে কোনো সমান্তরাল ব্যবস্থা বা বিদেশি সম্পিদ্ধতা বরদাস্ত করা হবে না। গরিবাবাদী বলেন, ‘আমরা ফ্রান্সকে তার উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে পরিস্থিতিকে আরও জটিল না করার জন্য কঠোরভাবে পরামর্শ দিচ্ছি।’
এর আগে, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এক্স-এ একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, সামুদ্রিক পথ সুরক্ষিত করতে এবং এই কৌশলগত জলপথ দিয়ে অবাধ ও শর্তহীন যাতায়াত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ফ্রান্স ও ওমান অংশীদারদের সাথে সমন্বয় করে হরমুজ প্রণালী মাইনমুক্ত করার জন্য যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর পরেই উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্য আসে।
ফ্রান্সে তার প্রথম সরকারি সফরের সময় প্যারিসে ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সাথে আলোচনার পর ম্যাক্রোঁ ওই প্রস্তাব দেন।
ইরান বারবার উল্লেখ করে আসছে যে, হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচল ব্যবস্থাপনা, মাইন নিষ্ক্রিয়করণ অভিযান এবং অস্থায়ী সামুদ্রিক ব্যবস্থা ইসলামাবাদ স্মারকলিপির ৫ নং অনুচ্ছেদ দ্বারা পরিচালিত হয় এবং একটি উপকূলীয় রাষ্ট্র হিসেবে তা অবশ্যই ইরানের সমন্বয়ের অধীনে অব্যাহত থাকবে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহের পথ হরমুজ প্রণালী, ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরাইলি সংঘাত শুরু হওয়ার পর বন্ধ করে দেয় ইরান।
সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন