প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) পোষ্য কোটা বাতিলসহ চার দফা দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন দুই শিক্ষার্থী। শিক্ষার্থীরা হলেন সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থী এবং শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম সদস্যসচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ, এবং আইন বিভাগের শিক্ষার্থী রাজু আহমেদ জীবন।
শনিবার (২০ জুন) সকাল ১১টার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে তারা অনশন শুরু করেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অশোভন আচরণ বন্ধ করা এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক ফি কমানোর দাবি।
অনশন শুরুর সময় প্রশাসন ভবনের ফটকে তারা পোস্টার ঝুলিয়ে দেন। পোস্টারগুলোতে লেখা ছিল ‘যোগ্যতার জয় হোক, পোষ্য কোটা রোধ হোক’, ‘অযৌক্তিক ভর্তি ফি বাতিল চাই’, এবং ‘সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি বন্ধ চাই’।
অন্যদিকে, বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ আন্দোলনে অংশ নিয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পোষ্য কোটা বাতিল, অযৌক্তিক ফি কমানো এবং বিভিন্ন দপ্তরে হয়রানি বন্ধের দাবিতে তারা সক্রিয় হয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, পূর্ববর্তী প্রশাসন সিন্ডিকেট ভাঙতে ব্যর্থ হয়েছে এবং বর্তমান প্রশাসনের কাছে দ্রুত পদক্ষেপ আশা করছেন।
রাজু আহমেদ জীবন জানান, পোষ্য কোটা বাতিলসহ চার দফা দাবিতে তিনি অনশনে বসেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, অনশনের সময় তাকে প্রক্টর অফিসে ডেকে নিয়ে নানা প্রশ্ন করা হয় এবং অনশন প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান মন্তব্য করেন যে, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি জানান, শিক্ষার্থীরা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার অবস্থানে রয়েছেন। তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং পরিবারের সদস্য ক্যাম্পাসে আসবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন