প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের কারণে গৃহবধূ গোলাপি খাতুন হত্যা মামলার প্রধান আসামি সহ তিনজনকে ঢাকার সাভার এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
বুধবার (৫ আগস্ট) র্যাব-১৩ থেকে পাঠানো একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন: মামলার প্রধান আসামি মো. হাসিনুর রহমান (৪৬), ৩ নম্বর আসামি মো. আব্দুল মতিন (৪৫) এবং ৬ নম্বর আসামি মো. রহমত আলী (৫৫)। তাদের সকলের বাড়ি কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বাওয়াইর এলাকায় অবস্থিত।
র্যাব জানায়, নিহত গোলাপি খাতুনের সঙ্গে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের নিষ্পত্তি না হওয়ায় তিনি কুড়িগ্রাম আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলার শুনানির তারিখ ছিল গত ২৯ জুলাই।
তদন্তে জানা যায়, গত ২৬ জুলাই মামলার ২ নম্বর আসামি হেলাল মিয়া জমির বিরোধ মীমাংসার কথা বলে মোবাইল ফোনে গোলাপি খাতুনকে তাদের বাড়িতে ডেকে নেন। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরে ৩০ জুলাই রৌমারী উপজেলার পুরাতন যাদুরচর এলাকার একটি ডোবার পানিতে তার মরদেহ ভাসমান অবস্থায় দেখা যায়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে ৩০ জুলাই রৌমারী থানায় ১১ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান।
র্যাব-১৩ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, মামলাটির গুরুত্ব এবং তাৎক্ষণিকতায় র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে, র্যাব-১৩, রংপুর এবং র্যাব-৪, সিপিসি-২, সাভার ক্যাম্পের যৌথ আভিযানিক দল বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার সাভারের দক্ষিণ রাজাশান এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি হাসিনুর রহমানকে গ্রেফতার করে।
এরপর তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিকেল ৩টার সময় সাভারের আইচানোয়াদ্দা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপর দুই আসামি আব্দুল মতিন ও রহমত আলীকেও গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার কৃতদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় তাদের হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন র্যাব।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন