প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নতুন বেতন কাঠামোর পে-ফিক্সেশনের নথি সময়মতো সদর দপ্তরে না পৌঁছানোর কারণে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৩১৯ কর্মকর্তা-কর্মচারী অক্টোবর মাসের বেতন পাননি। প্রতি মাসের প্রথম দিনে বেতন পাওয়ার কথা থাকলেও সোমবার পর্যন্ত তা না পেয়ে কর্মীরা উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা এ ঘটনায় দায়ীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
সোমবার সকালে বেতন না পাওয়ার কারণ জানার জন্য বিমানবন্দরের পরিচালকের দপ্তরে জড়ো হন ভুক্তভোগী কর্মীরা। এ সময় তাঁরা নথি পাঠাতে বিলম্বের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান। পরিচালক তাঁদের দ্রুত বেতন পরিশোধের আশ্বাস দিয়েছেন।
বিমানবন্দর কর্মচারী কল্যাণ সংঘের সাধারণ সম্পাদক হাকিম সরকার বলেন, ‘প্রতি মাসের ১ তারিখ কর্মীদের বেতন হয়। যদি ওই দিন শুক্র বা শনিবার পড়ে, তবে পরদিন বেতন দেওয়া হয়। এবার নির্ধারিত সময়ে বেতন না পাওয়ায় আমরা পরিচালকের কাছে বিষয়টি জানিয়েছি। এ ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং দ্রুত বেতন পরিশোধ করতে হবে।’
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, নতুন পে স্কেলের বেতন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় নথি ও ৩১৯ কর্মকর্তা-কর্মচারীর সার্ভিস বই ১৮ অক্টোবর হিসাব শাখা থেকে প্রশাসন শাখায় হস্তান্তর করা হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে এসব নথি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরে পৌঁছায়নি। ফলে পে-ফিক্সেশনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। প্রশাসন শাখার দায়িত্বে অবহেলার কারণে এ বিলম্ব হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কর্মীরা।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. নূর হোসেন বলেন, ‘নতুন বেতন কাঠামোর জন্য কিছু আউটস্টেশনের কর্মীদের সার্ভিস বই ও প্রয়োজনীয় নথি দেরিতে আসায় জমা দিতে বিলম্ব হয়েছে। কেউ নতুন স্কেলে, কেউ আগের স্কেলে বেতন পাবেন—এমন পরিস্থিতি আমরা চাইনি। আশা করি সবাই একসঙ্গে বেতন পাবেন।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন