প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বার শিরোপা জিতেছে স্পেন। নির্ধারিত ৯০ মিনিট ছিল গোলশূন্য। তাই ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে চলে যায়। বলের দখল এবং আক্রমণে স্প্যানিশদের বেশ পরিষ্কার আধিপত্য ছিল, তবে গোলের জন্য তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে একটি মাত্র গোল করেই তাদের শিরোপা নিশ্চিত হয়।
মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ফাইনালে জয়লাভের পাশাপাশি আলোচনায় এসেছে স্পেনের বাতিল হওয়া দুটি গোল। অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে বিতর্কের সৃষ্টি করে নিকো উইলিয়ামসের বাতিল গোল। স্পেনের আক্রমণে আর্জেন্টিনার বক্সে বল পৌঁছালে মিকেল মেরিনোর চাপের কারণে নিকোলাস ওতামেন্দি পড়ে যান। এরপর বদলি খেলোয়াড় মেরিনো গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজের সঙ্গে বলের লড়াইয়ে লিপ্ত হন। বলটি নিকো উইলিয়ামসের সামনে এসে পৌঁছালে তিনি জালে পৌঁছে দেন।
কিন্তু গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত দেন রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ। তার মতে, গোল করার আগে মিকেল মেরিনো ওতামেন্দির ওপর ফাউল করেছেন। টেলিভিশন রিপ্লেতে দেখা যায়, মেরিনোর পা ওতামেন্দির পায়ে স্পর্শ করে। রেফারির দৃষ্টিতে সেটিই ফাউল ছিল। তবে স্পেনের খেলোয়াড়রা দাবি করেন, সংস্পর্শটি ছিল খুব সামান্য এবং ওতামেন্দি সেটিকে অতিরঞ্জিত করেছেন। তাদের মতে, গোল বাতিল করার বিষয়টি যুক্তিযুক্ত ছিল না।
এই সিদ্ধান্তের ফলে স্প্যানিশ ফুটবলাররা তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাদের বিশ্বাস, গোলটি যদি বহাল থাকত, তাহলে ম্যাচের ভাগ্য অতিরিক্ত সময়ের পূর্বেই নির্ধারিত হয়ে যেতে পারত। কিছুক্ষণ পর আবারও হতাশ হতে হয়েছে স্পেনকে। এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে একা পেয়ে ফেররান তোরেস বলটি জালে পাঠান। কিন্তু ভিডিও সহকারী রেফারির (ভিএআর) সহায়তায় অফসাইডের কারণে সেটিও বাতিল করা হয়।
দুটি গোল বাতিল হওয়ার পরও জয় থেকে পিছু হটেনি স্পেন। অতিরিক্ত সময়ের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ২০১০ সালের পর ১৬ বছর অপেক্ষা শেষে তারা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি নিজেদের দখলে নেয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন