প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পর্তুগালের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে হেরে যাওয়ার পর বিশ্বকাপের শেষ ৩২ থেকে বিদায় নেওয়ার পর ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) ব্যবস্থা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন ক্রোয়েশিয়ার অধিনায়ক লুকা মদরিচ। ভিএআর এর দুটি সিদ্ধান্ত সম্পর্কিত বিষয়ে তার আপত্তি রয়েছে।
দ্বিতীয়ার্ধে ইভান পেরিসিচের গোলে ক্রোয়েশিয়া এগিয়ে যায়। কিন্তু পরে ভিএআর পর্যালোচনার পর রেফারি সিদ্ধান্ত দেন যে নিকোলা ভ্লাসিচ বক্সের ভেতরে রেনাতো ভিয়েগাকে ফাউল করেছেন। সেই সিদ্ধান্তে পাওয়া পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।
এরপর যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে গনসালো রামোসের গোলে পর্তুগাল এগিয়ে যায়। কিন্তু নাটক তখনও শেষ হয়নি। আরেকটি ভিএআর পর্যালোচনার পর অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায় জস্কো গভার্দিওলের সমতাসূচক গোল। রিপ্লেতে দেখা যায়, গোল হওয়ার আগে ক্রস থেকে আসা বলটি ইগর মাতানোর গায়ে অতি সামান্য স্পর্শ লেগে অফসাইডে থাকা মারিও পাসালিচের কাছে যায়।
পর্তুগালের পাওয়া পেনাল্টির প্রসঙ্গ টেনে লুকা মদ্রিচ বলেন, ‘কিছু সিদ্ধান্ত আমাদের বিপক্ষে গেছে। ওই পেনাল্টির কথাই ধরুন... ঘটনা যদি উল্টো হতো, তাহলে ভিএআর কখনোই হস্তক্ষেপ করত না।’
তিনি বলেন, ‘ভিএআর চালুর শুরু থেকেই আমি বলেছিলাম, এটি আমার পছন্দ নয়। পরে সময়ের সঙ্গে বুঝেছি, কিছু ক্ষেত্রে এটি ভালো। কিন্তু এটি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয় না। কখনও বেছে বেছে ব্যবহার করা হয়, আবার কখনও বড় দলের সুবিধা হয় এমনভাবে প্রয়োগ করা হয়।’
মদ্রিচের ভাষায়, ‘ভিএআর তখনই হস্তক্ষেপ করা উচিত, যখন সিদ্ধান্তটি শতভাগ নয়, ২০০ শতাংশ ভুল। কিন্তু যদি বিষয়টি বিতর্কিত বা ধূসর অঞ্চলের হয়, তাহলে সেখানে ভিএআরের হস্তক্ষেপের সুযোগ থাকা উচিত নয়। এমন পরিস্থিতিতে ভিএআর ডাকানোর কোনো মানে নেই।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন