প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চার বছর ধরে জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত জটিলতায় আটকে থাকার পর, দিনাজপুর-হিলি চার লেন সড়কের নির্মাণকাজ আবার শুরু হয়েছে। এর ফলে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক, পথচারী এবং স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের ক্ষোভের অবসান ঘটেছে এবং স্বস্তি ফিরে এসেছে।
,,。,,。。
কিছু জায়গায় নির্মাণ কাজ অর্ধেক অবস্থায় পড়ে রয়েছে, আবার কিছু স্থানে জমি অধিগ্রহণের কারণে কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক মুশফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, "দীর্ঘদিনের ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা কাটিয়ে আবারও শুরু হয়েছে ফোরলেন সড়কের নির্মাণ কাজ। এতে আমরা অনেক খুশি। বিগত সময়ের কাজ শুরু হয়েছিল কিন্তু শুরুর পর অল্প কিছু কাজ করে ঠিকাদার চলে যায়। এতে জনদুর্ভোগ আরো বেশি বেড়ে যায়। আবারও কাজ শুরু হয়েছে, আমরা আশার আলো দেখছি এবং চাই কাজটি যেন দ্রুত সম্পন্ন হয়।"
তিনি আরও বলেন, "হিলি স্থলবন্দর এখানে প্রতিদিন শত শত পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল করে। রাস্তার কাজ শেষ হলে ব্যবসায়ীদের অনেক ভোগান্তি কমবে এবং আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য অনেকটা কর্মচঞ্চলতা ফিরে আসবে।"
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটির প্রকল্প ব্যবস্থাপক রবিউল ইসলাম জানান, "জিরো পয়েন্ট থেকে মহিলা কলেজ পর্যন্ত চার লেন সড়কের নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। যেসব স্থানে কাজ করার উপযোগী পরিবেশ ও পর্যাপ্ত জায়গা পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে জোরেশোরে কাজ চলছে। হিলি আয়তনের ছোট হলেও এর গুরুত্ব অনেক বেশি। হিলি স্থলবন্দর এর গুরুত্ব বিবেচনা করে আমরা দ্রুততম সময়ে সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ করার চেষ্টা করছি।"
তিনি আরও বলেন, "এখনো কিছু স্থানে কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি, সেসব জায়গায় জমি বুঝে পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি। জমি বুঝে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে। নির্মাণ কাজ এগিয়ে নিতে আমাদের পর্যাপ্ত জনবল রয়েছে।"
দিনাজপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-প্রকৌশলী আমানুল্লাহ আমান জানান, "হিলি ফোরলেন সড়কে নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। গত জুনে কাজের কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজটি শেষ করার কথা রয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, "প্রকল্পের ভূমি অধিকরণের ক্ষতিপূরণ হিসেবে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে ৫০ জন জমির মালিককে চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্যদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে জমি বুঝে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নির্মাণ কাজ এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। হিলি স্থলবন্দর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এখানে বিভিন্ন বিপুলসংখ্যক যানবাহন চলাচল করে। তাই জনদুর্ভোগ কমাতে যত দ্রুত সম্ভব সড়কটির নির্মাণ কাজ শেষ করাই আমাদের লক্ষ্য।"
হিলি জিরো থেকে মহিলা কলেজ পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৮ কোটি টাকা। ভূমি অধিগ্রহণের ব্যয় হবে ৬৬ কোটি টাকা। দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত নির্মাণ কাজ শেষ করার দাবি স্থানীয়দের।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন