প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলায় একই পরিবারের তিন শিশু এবং দুই নারীসহ মোট ১১ জন নিহত হয়েছেন। এই হামলায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
ইরানি বার্তা সংস্থা ‘তাসনিম নিউজ’-এর সূত্রে জানা গেছে যে, ইরান এই ঘটনাকে ‘নিষ্ঠুর হামলা’ আখ্যা দিয়ে এর নিন্দা জানিয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, নাবাতিয়ে জেলার আল-আনসার, আলি আল-তাহের মালভূমি, নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা ও দেইর আল-জাহরানি এলাকায় এ হামলা চালানো হয়। হামলার ফলে আবাসিক এবং বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংসের পাশাপাশি একাধিক পরিবারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আল-আনসারে তিন শিশুসহ মোট সাতজন এবং দেইর এজ-জাহরানীতে চারজন নিহত হন।
ইসমাইল বাঘাই বলেন, এই হামলা লেবাননের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার স্পষ্ট লঙ্ঘন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তার কঠোর সমালোচনা করে তিনি এটিকে নিন্দনীয় উল্লেখ করেন। পাশাপাশি লেবাননের সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের প্রতিরোধের প্রতি ইরানের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, হিজবুল্লাহর পূর্ববর্তী হামলায় তাদের তিন সৈন্য আহত হওয়ার পর এই পাল্টা সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
হামলায় বেসামরিক নাগরিকদের নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করে ইসরায়েল দাবি করেছে যে হিজবুল্লাহ ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের সামরিক ঘাঁটিতে সাধারণ মানুষকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে।
এই হামলার তীব্র সমালোচনা করে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন অভিযোগ করেছেন যে মার্কিন পৃষ্ঠপোষকতায় পরবর্তী আলোচনার আগে ইসরায়েল নিজেদের আগ্রাসী মনোভাবের বার্তা দিচ্ছে। বর্তমানে সীমান্ত এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন