প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ক্রিকেটের মাঠে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য স্মরণীয় ইনিংস খেলেছেন শচীন টেন্ডুলকার। এবার মাঠের বাইরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) জগতে নতুন এক ‘ইনিংস’ শুরু করলেন ভারতের সাবেক এই ক্রিকেট তারকা। তিনি ওপেনএআইয়ের সঙ্গে বহু বছরের অংশীদারত্বের ঘোষণা দিয়েছেন।
সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে শচীন জানান, ওপেনএআইয়ের সঙ্গে তার এই সহযোগিতায় ‘মজার ও আকর্ষণীয় কিছু’ আসছে। এই অংশীদারত্বের অন্যতম লক্ষ্য হলো কীভাবে মানুষ ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করতে পারে, তা তুলে ধরা।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়। ওপেনএআই জানিয়েছে, এই বহু বছরের অংশীদারত্বের আওতায় শচীনকে নিয়ে বিভিন্ন কনটেন্ট, প্রচারাভিযান ও বিশেষ অভিজ্ঞতা তৈরি করা হবে। এসব আয়োজনে চ্যাটজিপিটির সঙ্গে শচীনের নিজের ব্যবহার ও অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হবে।
এই সহযোগিতার শুরু হয়েছে ‘‘শচীন টেন্ডুলকার স্টার্টস আ নিউ ইনিংস উইথ চ্যাটজিপিটি’ শিরোনামের একটি প্রচারাভিযানের মাধ্যমে। এর অংশ হিসেবে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে শচীন চ্যাটজিপিটিকে ১০টি প্রশ্ন করে নিজের পরিচয় শনাক্ত করার চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন।
শচীন জানান, তার স্বাভাবিক কৌতূহল প্রায়ই তাকে একটি প্রশ্ন থেকে আরেকটি প্রশ্নের দিকে নিয়ে যায়। তিনি উল্লেখ করেন, চ্যাটজিপিটি এই কৌতূহলকে আরও উৎসাহিত করেছে। এমনকি তিনি নিজের পরিবারের সর্বশেষ ভ্রমণের পরিকল্পনা করতেও চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করেছেন বলে জানান সাবেক এই ব্যাটার।
অংশীদারত্ব নিয়ে শচীন বলেন, "একটি প্রশ্ন, একটি ধারণা কিংবা এমন কিছু, যা কেউ সবসময় অনুসন্ধান করতে চেয়েছেন—শুরু করার জায়গা হতে পারে অনেক কিছুই।" তিনি একসঙ্গে নতুন কিছু অনুসন্ধানের প্রত্যাশার কথাও জানান।
ওপেনএআই ইন্ডিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রভজিৎ সিং বলেন, "এআই মানুষের শেখা, নতুন বিষয় অনুসন্ধান এবং এমন কিছু করার সুযোগ তৈরি করতে পারে, যা আগে অনেকের কাছে কঠিন বা নাগালের বাইরে মনে হতো।" শচীনের সঙ্গে এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে আরও বেশি মানুষকে এআইয়ের ব্যবহারিক দিক সম্পর্কে ধারণা দেওয়া এবং চ্যাটজিপিটি ব্যবহারে আত্মবিশ্বাসী করে তোলাই তাদের লক্ষ্য।
প্রচারাভিযানের পরবর্তী ধাপে শচীন এবং উদ্যোক্তা ও কনটেন্ট নির্মাতা বরুণ মাইয়ার অংশগ্রহণে আরও কয়েকটি ভিডিও প্রকাশের কথা রয়েছে।
চ্যাটজিপিটির সঙ্গে শচীনের এই অংশীদারত্ব এমন সময়ে এলো, যখন ভারতে এআই টুলটির ব্যবহার আরও বাড়ানোর চেষ্টা করছে ওপেনএআই। সম্প্রতি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গেও আলাদা অংশীদারত্ব করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ভারতের ঘরের মাঠের ক্রিকেটে চ্যাটজিপিটিকে সহযোগী অংশীদার হিসেবে যুক্ত করেছে বিসিসিআই।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন