প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধায় সিক্ত একুশে পদকপ্রাপ্ত চিত্রশিল্পী, পাপেটশিল্পের পথিকৃৎ এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের মরদেহ শহীদ মিনারে রাখা হয়েছে। এই শিল্পগুরুকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে জড়ো হয়েছেন তার সহকর্মী, ছাত্র, সংস্কৃতিকর্মীসহ ভক্তরা।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) মুস্তাফা মনোয়ারকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সকাল থেকেই মানুষের ঢল নামে। প্রথমে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় এই শিল্পগুরুর প্রথম নামাজে জানাজা। এরপর সকাল ১১টার দিকে বিটিভি থেকে তার মরদেহ নিয়ে আসা হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে।
অনুরাগীদের উপস্থিতিতে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে এক আবেগঘন বিদায়ের মঞ্চ। আগামী প্রজন্ম তার স্মৃতি, কর্ম আজীবন ধরে রাখবেন এমনটাই প্রত্যাশা ভক্তদের।
শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মুস্তাফা মনোয়ারের মরদেহ নেয়া হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে, সেখানে অনুষ্ঠিত হবে তার দ্বিতীয় নামাজে জানাজা।
দ্বিতীয় জানাজা শেষে প্রায় আধা ঘণ্টার জন্য মরদেহ নেয়া হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। দীর্ঘদিন এ অনুষদে শিক্ষকতা করে অসংখ্য শিল্পী ও সৃজনশীল মানুষ গড়ে তুলেছিলেন তিনি।
সবশেষে মুস্তাফা মনোয়ারের মরদেহ চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে কিছুক্ষণ রাখার পর বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে দেশের শিল্প-সংস্কৃতির এই কিংবদন্তীকে।
গত ২৯ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। মৃত্যকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। দীর্ঘদিন ধরে নিউমোনিয়া ও প্রোস্টেট ক্যানসারে ভুগছিলেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন