প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুষ্টিয়ার মিরপুরে একটি পাখিভ্যানে বাসের ধাক্কায় চালকসহ দুজনের মৃত্যু ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়কের সদরপুর ইউনিয়নের আমতলা মাদরাসার সামনে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন মিরপুর উপজেলার নওদা আজমপুর গ্রামের আব্দুল সাত্তারের ছেলে ভ্যানচালক কামরুল ইসলাম এবং কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ভাদালিয়া স্বস্তিপুর গ্রামের ৫৫ বছর বয়সী হাসেম আলীর স্ত্রী ভানুমতি। এ ঘটনায় ভানুমতির মেয়ে হাসিনা গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভানুমতি সম্প্রতি নওদা আজমপুরে তার মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকালে পাখিভ্যানটি কয়েকজন যাত্রী নিয়ে গন্তব্যের দিকে যাচ্ছিল। হঠাৎ ভ্যানটির এক্সেল ভেঙে সেটি সড়কের ওপর উল্টে পড়ে। ঠিক সেই মুহূর্তে পেছন থেকে আসা মেহেরপুরগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভ্যানটিকে সজোরে চাপা দেয়। বাসের ধাক্কায় ভ্যানটি পুরোপুরি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই যাত্রী ভানুমতির মৃত্যু ঘটে।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা ছুটে আসেন। খবর পেয়ে আমলা পুলিশ ক্যাম্প ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেন এবং গুরুতর আহত চালক কামরুল ও যাত্রী হাসিনাকে উদ্ধার করে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। সেখানে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ইকবাল হোসেন জানান, গুরুতর আহত ভ্যানচালক কামরুল ইসলামকে হাসপাতালে আনার পর আইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল, তবে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কিছুক্ষণ পরই তার মৃত্যু ঘটে।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম সড়ক দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং জানিয়েছেন, পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত করছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ঘাতক বাসটি জব্দ করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন