প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে কিছু নির্ধারিত বাসস্টপে বাস না থামানোর ঘটনা ঘটেছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বেরোবি শাখার একটি প্রতিনিধি দল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুল পরিচালকের সঙ্গে বৈঠক করেছে।
সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিমাণ বাড়ায়, প্রচার সম্পাদক মাসুদ রানার নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি পরিবহন পুলের পরিচালক মাসুদ রানা- সাথে সাক্ষাৎ করে। বৈঠক কালে তাঁরা বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন এবং সমাধানের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
আলোচনায় পরিবহন পুলের পরিচালক জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বাসচালকদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ নেই। তাঁর দাবি, মূলত ভাড়ায় পরিচালিত বিআরটিসির বাসের চালকেরা অনেক সময় নির্ধারিত বাসস্টপে বাস না থামাতে অসতর্ক আচরণ করে। এইসব চালকরা ঘন ঘন পরিবর্তিত হওয়ায় তারা বারবার নির্দেশনা দিয়েও কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি জানান, ভবিষ্যতে বিআরটিসি থেকে বাস না নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।
পরিচালক আরও উল্লেখ করেন, অনেক শিক্ষার্থী নির্ধারিত স্টপে বাসে উঠতে চান না এবং তারা বিভিন্ন স্থানে বাস উঠতে আগ্রহী। যা নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। এই কারণেই চালকরা অনেক সময় বাস থামাতে অনিচ্ছুক হন। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি সকলকে নির্ধারিত স্টপ থেকেই বাসে ওঠার আহ্বান জানান।
যখন বাসে জিপিএস ট্র্যাকার স্থাপনের বিষয়ে জানতে চান, তখন পরিবহন পুলের পরিচালক জানান, ট্র্যাকার স্থাপনের সকল প্রয়োজনীয় কার্যক্রম ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। সরঞ্জাম হাতে পেলেই তিনি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসগুলোতে জিপিএস ট্র্যাকার স্থাপন করার পরিকল্পনা করছেন।
বৈঠক শেষে, প্রতিনিধি দলকে তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, বাসচালকদের সাথে দ্রুত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে পুনরায় আলোচনা করা হবে। তিনি এটি নিশ্চিত করেছেন যে, সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন