প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আগাম নোটিশ ছাড়া ভারতের গুজরাটে তিনটি মসজিদ এবং কয়েকটি মাজার ভেঙে ফেলা হয়েছে। দ্য হিন্দুস্তান গ্যাজেটের এক প্রতিবেদনে সোমবার (৩০ জুন) এর তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুজরাটের কুচ বিভাগে সবমিলিয়ে ৩০টি অবকাঠামো ভাঙা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি মসজিদ এবং মাজার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
জমিয়ত ই-উলামা হিন্দের একটি প্রতিনিধি দল এ ঘটনার পর কুচ বিভাগে যায়। এই প্রতিনিধিদের নেতৃত্বে ছিলেন মাওলানা হাকিমুদ্দিন কাশমী।
তিনি বলেছেন, কেন কোনো নোটিশ ছাড়াই মসজিদগুলো ভেঙে ফেলা হলো সেটির কোনো উত্তর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তারা পাননি।
ভেঙে ফেলার মধ্যে রয়েছে জুনা কান্দলা মসজিদ। এ মসজিদের খাদেম জানিয়েছেন, হঠাৎ করেই মসজিদটি ভেঙে ফেলা হয়। যদি ওই সময় বাধা দেওয়া হতো তাহলে তাদের আটক করা হতো।
এই মসজিদটি ১৯৬৫ সাল থেকে ওয়াকফ রেজিস্টি করা। সুন্দর নির্মাণশৈলী থাকার কারণে মসজিদটি স্থানীয়দের কাছে বেশ পরিচিত ছিল।
মসজিদ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সামার বলেছেন, তারা মসজিদ ভাঙার সময় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন এবং মসজিদের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাদের সেখানে যেতে দেওয়া হয়নি। এর বদলে উল্টো হুমকি দেওয়া হয়।
ভাঙা এ মসজিদের মধ্যে আদিপুরের আরেকটি মসজিদও রয়েছে।
একটি সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সব মিলিয়ে ৩০টি অবকাঠামো ভাঙা হয়েছে। যার মধ্যে ১১টি ধর্মীয় স্থাপনা, ১৭টি বাণিজ্যিক এবং দুটি আবাসিক স্থাপনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন