প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
তিউনিসিয়া বিশ্বকাপে হতাশাজনক এক অভিযান শেষ করল। গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচেই হেরে যাওয়ার পাশাপাশি তারা নিজেদের নাম লিখিয়েছে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডের পাতায়।
উত্তর আফ্রিকার এই দলটি দুর্বল রক্ষণভাগের কারণে পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ভুগেছে। তিন ম্যাচে তারা মোট ১২ গোল হজম করেছে। এর মাধ্যমে তারা এক আসরের গ্রুপ পর্বে সর্বাধিক গোল হজমের রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছে।
এর আগে ২০০২ বিশ্বকাপে সৌদি আরব এবং ২০১০ বিশ্বকাপে উত্তর কোরিয়া গ্রুপ পর্বে ১২টি করে গোল হজম করেছিল। এবার সেই বিব্রতকর তালিকায় যুক্ত হলো তিউনিসিয়ার নাম।
বিশ্বকাপের শুরুটা হয়েছিল দুঃস্বপ্নের মতো। প্রথম ম্যাচে সুইডেনের কাছে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পরেই তিউনিসিয়া ফুটবল ফেডারেশন প্রধান কোচকে বরখাস্ত করে। নতুন কোচের অধীনে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা জাগালেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি। পরের দুই ম্যাচেও তারা হারের বৃত্ত থেকে বের হতে পারেনি।
শুধু তিউনিসিয়াই নয়, স্বাগতিক কাতারও রক্ষণভাগের দুর্বলতায় ভুগেছে। গ্রুপ পর্বে তারা ১০ গোল হজম করে, এবং সবচেয়ে বেশি গোল খাওয়া দলের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক ফুটবলে শক্তিশালী রক্ষণভাগই সফলতার অন্যতম ভিত্তি। সেখানে মাত্র তিন ম্যাচে ১২ গোল হজম করা দলের কৌশলগত ও রক্ষণাত্মক দুর্বলতার স্পষ্ট প্রমাণ। তিউনিসিয়ার এবারের বিশ্বকাপ অভিযান তাই শুধু হতাশার নয়, বরং রেকর্ড বইয়ে একটি বিব্রতকর অধ্যায় হিসেবেও স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন