প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের একটি বাসায় মাত্র ১ হাজার ৫০০ টাকার চুরির কারণে স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। নিহত ব্যক্তির নাম সুমন (৪২) ছিল। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নাজিমউদ্দিন রোডের জমিদার গলির একটি বাড়ির চতুর্থ তলার বাসায় এই নির্মম ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় সুমনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুপুর পৌনে ১টার দিকে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
নিহত সুমনের বাড়ি হবিগঞ্জের। তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা আক্তারের সঙ্গে নাজিমউদ্দিন রোডের ওই বাসাটিতে বসবাস করতেন।
হাসপাতালে সুমনকে নিয়ে আসা তার দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা আক্তার জানিয়েছেন, সোমবার (৬ জুলাই) রাতে সুমন তার বাসায় গিয়েছিলেন। এরপর বাসা থেকে তার ১ হাজার ৫০০ টাকা চুরি হয়ে যায়। একই রাতে তিনি সুমনকে বাথরুমে মাদক সেবন করতে দেখেন। এই টাকা চুরি ও মাদক সেবনের বিষয়ে সকালে তাদের মধ্যে তীব্র ঝগড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে সুমন ক্ষিপ্ত হয়ে নাসিমাকে ব্যাপক মারধর করেন এবং তার পেটে কামড় দেন। পরে তিনি লোহার তৈরি একটি ধারালো বস্তু এনে নাসিমাকে আঘাত করার চেষ্টা করেন।
নাসিমা আরও জানান, মারধরের আত্মরক্ষার্থে দুজনের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে ওই ধারালো বস্তুটি সুমনের বুকেই বিদ্ধ হয়ে যায়। এতে সুমনের বুক থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হলে নাসিমা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তবে হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সুমনকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে জানিয়েছেন, সুমনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। নিহতের বুকের বাম পাশে একটি গভীর জখম রয়েছে। বিষয়টি বংশাল থানার পুলিশ তদন্ত করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন