প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেত্রকোণার চল্লিশা বাজার কেন্দ্রীয় হাফিজিয়া মাদরাসায় ফজরের নামাজের পর উচ্চস্বরে সূরা ইয়াসিন তিলাওয়াতের কারণে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় কওমি পরিষদ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। সংগঠনটির সভাপতি মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী, যিনি রাজধানীর গুলিস্তান পীর ইয়ামেনি জামে মসজিদের খতিব, এই ঘটনার প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী উল্লেখ করেন যে, একটি দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং দুঃখজনক। তিনি বলেন, "মাদরাসায় কোরআন তিলাওয়াতকে কেন্দ্র করে শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করা এবং শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ঘটনা ধর্মীয় শিক্ষা ও মূল্যবোধের ওপরও আঘাত।"
বিবৃতিতে তিনি চল্লিশা বাজার কেন্দ্রীয় হাফিজিয়া মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ সাইফুল ইসলামসহ আহত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "কোনো ধরনের প্রভাব বা পক্ষপাত ছাড়াই দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা উচিত।"
কওমি পরিষদের সভাপতি আরও বলেন, দেশের কোনো মাদরাসা, মসজিদ কিংবা ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া উচিত নয়। তিনি স্থানীয় প্রশাসনকে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে গুরুত্বের সঙ্গে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
এছাড়া, আহত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান কওমি পরিষদের সভাপতি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন