প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ত্রিদেশীয় সিরিজের শেষ ম্যাচের আগে বাংলাদেশের ফাইনালে যাওয়ার সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। নিজেদের প্রথম ম্যাচে হারের পর, আফগানিস্তানের বড় জয়ের ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।
বাংলাদেশকে শেষ ম্যাচে জিততেই হবে। আফগানিস্তানের কাছে হারলে তারা ০ পয়েন্ট নিয়ে বাদ পড়বে। জয়ী হলে তিনটি দলের পয়েন্ট হবে সমান ২। তখন ফাইনালের দুই দলের নির্বাচন হবে নেট রান রেটের ভিত্তিতে। ফাইনালে যেতে হলে বাংলাদেশকে জিম্বাবুয়ের উপরে উঠতে হবে। প্রথম ম্যাচে ৯৯ রানের পরাজয় এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ১৫৮ রানের পরাজয়ের কারণে জিম্বাবুয়ের নেট রান রেট বর্তমানে −০.৫৯।
আফগানিস্তান নিজেদের প্রথম ম্যাচে ১৫৮ রানের বিশাল জয় নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে। শেষ ম্যাচে ১০০ রানে পরাজিত হলেও তারা এই গ্রুপের শীর্ষস্থান ধরে রাখবে।
এ কারণে বাংলাদেশের লক্ষ্য এখন দ্বিতীয় স্থানে পৌঁছানো। এটি অর্জন করতে টাইগারদের জন্য বেশ পরিশ্রম করতে হবে।
জিম্বাবুয়েকে টপকাতে হলে বাংলাদেশের অন্তত ৪১ রানের জয় প্রয়োজন। যদি বাংলাদেশ আফগানিস্তানকেও অতিক্রম করতে চায়, তাহলে জয়ের ব্যবধান অন্তত ১২৯ রানের হতে হবে।
পরে ব্যাটিং শুরু করলে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা আফগানিস্তানের স্কোরের ওপর নির্ভর করবে। যদি আফগানিস্তান ২৫০ রান করে, তাহলে দ্বিতীয় স্থানে উঠতে বাংলাদেশকে ৪১.৩ ওভারের মধ্যে জিততে হবে। শীর্ষে উঠতে হলে এই লক্ষ্য ২৬.০ ওভারের মধ্যে পূরণ করতে হবে। ২৮০ রান হলে লক্ষ্য হবে যথাক্রমে ৪২.০ ও ২৭.১ ওভারে। আফগানিস্তান ৩০০ রান করলে ৪২.২ ও ২৮.০ ওভারে জিততে হবে। যদি বাংলাদেশ ৩২০ রান লক্ষ্য করে, তাহলে সেই ক্ষেত্রে ৪২.৪ বা ২৮.৫ ওভারের মধ্যে জিততে হবে।
সব মিলিয়ে হিসাবটা এমন। আগে ব্যাটিং করলে ৪১ বা তার বেশি রানে জিতলে বাংলাদেশ ফাইনালে যাবে। রান তাড়া করলে আফগানিস্তানের স্কোর অনুযায়ী প্রায় ৪১ থেকে ৪২ ওভারের মধ্যে জিততে হবে। অর্থাৎ হাতে রাখতে হবে প্রায় আট ওভার।
এমন কঠিন সমীকরণের মুখোমুখি হতে হয়েছে মূলত প্রথম ম্যাচে হারের কারণে। সেই ম্যাচে ৯৯ রানের পরাজয় বাংলাদেশকে খাদের কিনারে ঠেলে দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, সেই পরিস্থিতি থেকে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াতে পারে কি না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন