প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের ক্রিকেটে টেস্টে অগ্রগতি সত্যিই চোখে পড়ার মতো। তারা প্রত্যাশার সীমাকে অতিক্রম করে ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে। এই ধারাবাহিকতা ধরে রেখে, বাংলাদেশের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের বাইরে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেওয়া। এ বিষয়ে প্রধান কোচ ফিল সিমন্স কথা জানিয়েছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে রেভস্পোর্টজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিমন্স মন্তব্য করেছেন, ‘বাংলাদেশ চেয়েছিল যে আমরা একটি ভালো টেস্ট দল, যারা ভালো টেস্ট ক্রিকেট খেলতে পারে, এটা প্রমাণ করা।’ বর্তমানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, দেশের বাইরে আমাদের ভালো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে পারা। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো জায়গায়, যেখানে বাউন্স এবং পেসের কারণে সবাই মনে করে আমরা সমস্যায় পড়ব। ছেলেরা সত্যিই মরিয়া যে আমাদের সক্ষমতা এশিয়ার বাইরেও ভালো ক্রিকেট খেলার।
সিমন্সের কাছে প্রশ্ন করা হয়, বাড়তি কোনো অনুপ্রেরণা কাজ করছিল কি না। তিনি বলেন, ‘আমাদের আলাদা করে উজ্জীবিত হওয়ার মতো কিছু প্রয়োজন ছিল বলে মনে করি না। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলা, টেস্ট ক্রিকেট খেলা, এসব বিষয়ই আমাদের উজ্জীবিত করার জন্য যথেষ্ট ছিল। তারা চেয়েছিল সবাইকে দেখাতে যে আমরা একটি ভালো টেস্ট দল এবং ভালো টেস্ট ক্রিকেট খেলতে পারি।’
এই সিরিজে সিমন্স ক্রিকেটারদের প্রতি বার্তা জানিয়ে বলেন, ‘সবথেকে বড় ব্যাপার হলো আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা।’ অনেক সময় সকালে চার-পাঁচটি উইকেট পাওয়ার পর আমরা সেটার প্রভাবেই রয়ে যাই। কিন্তু এবার আমরা চেষ্টা করেছি যেন লাঞ্চ কিংবা চা বিরতিতে একই মানসিক অবস্থায় থাকতে পারি। ফলে বিরতির পরও আবেগ নিয়ন্ত্রণে রেখে মাঠে ফিরে আসতে পারি। উইকেট না পেলেও আবেগ কমতে না দেওয়া এবং উইকেট পেলেও উত্তেজনায় ওঠা নিয়ন্ত্রণ করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল।
অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ ডারউইনে সম্ভবত ক্যারিয়ারের সেরা ম্যাচটাই খেলেছেন বলে মনে করেন সিমন্স। তিনি বলেন, ‘(মিরাজ) দুর্দান্ত ছিল। অলরাউন্ডার হিসেবে তার মর্যাদা দিন দিন আরও বাড়ছে। ৫০ ওভারের ওয়ানডে ফরম্যাটে আমার মনে হয় সে (অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়ে) দু নম্বরে আছে। টেস্টেও সে ক্রমেই ওপরে উঠছে। দ্বিতীয় ইনিংসে আমরা তার বিশ্বমানের অফস্পিন বোলিং দেখেছি। স্টিভ স্মিথও যেমন বলেছেন, তৃতীয় দিনেও উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো ছিল। এরপরও স্টিভের মতো ব্যাটারকে বিভ্রান্ত করার যে ক্ষমতা সে দেখিয়েছে, তাতে বোঝা যায় তার অফস্পিনের মান ক্রমেই উন্নত হচ্ছে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন