প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের অরুণাচল প্রদেশে ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে সন্দেহভাজন সশস্ত্র ব্যক্তিদের হামলায় আসাম রাইফেলসের এক জওয়ান নিহত হয়েছেন। এই হামলায় আরও চার জওয়ান আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে চ্যাংলং জেলার নামপং এলাকায় এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে নামপং সার্কেলের নামপং নালার কাছে হামলাটি সংঘটিত হয়। ওই সময় ২১ আসাম রাইফেলসের সদস্যরা এলাকায় টহল দিচ্ছিলেন।
সীমান্তে বেড়া দেওয়ার কাজ চলমান থাকায় ওই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল। টহলের সময় জওয়ানদের লক্ষ্য করে সন্দেহভাজন জঙ্গিরা হামলা চালায় বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এই হামলায় ঘটনাস্থলেই এক জওয়ান নিহত হন এবং আরও চারজন আহত হন।
প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সন্দেহভাজন জঙ্গিরা টহল দলের ওপর গুলি চালালে হাবিলদার জানখোকাই কুকি (৪২) নিহত হন। আহত জওয়ানদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে তাদের বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর ওই এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান জোরদার করা হয়েছে বলে এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। প্রাথমিক প্রতিবেদনে হামলায় এনএসসিএন (কে-ওয়াইএ) গোষ্ঠীর সদস্যদের জড়িত থাকার সন্দেহ করা হচ্ছে। তবে হামলাকারীদের পরিচয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
এ ঘটনায় আসাম রাইফেলসের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। চাংলাংয়ের পুলিশ সুপার (এসপি) কিরলি পাডু জানিয়েছেন, তিনি সীমান্তে হামলার খবর পেয়েছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের জন্য চাংলাং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এসপি বলেন, ‘ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি সম্পর্কে আমরা খবর পেয়েছি। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে চাংলাং থানার ওসিকে বলা হয়েছে।’
বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর চলাচলের কারণে চাংলাং জেলার ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই সংবেদনশীল হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। সীমান্তের দুই পাশে কয়েকটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সক্রিয়তা রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন