প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) রাজুর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত গাড়ি আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। এর সাথে সাথে অভিযোগ করা হয়েছে যে, তিনি সেটি ফেরত দেওয়ার শর্তে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছেন। অভিযোগকারী জানিয়েছেন, একটি পরিকল্পিত পদ্ধতির মাধ্যমে তার গাড়িটি হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। পরে তাকে দীর্ঘ সময় ধরে ভয়ভীতি প্রদর্শন, মানসিক হয়রানি এবং নানা ধরনের চাপের সম্মুখীন হতে হয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজশাহী নগরীর বিভাগীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে তার অভিযোগগুলি তুলে ধরেন। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী জানান, ব্যবসায়িক সম্পর্কের সূত্রে পরিচিত এক নারীকে ব্যবহারের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। ওই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে কৌশলে তার মালিকানাধীন ব্যক্তিগত গাড়িটি আত্মসাৎ করা হয়। এরপর গাড়িটি ফেরত দেওয়ার বিনিময়ে অভিযুক্ত এসআই তার কাছে নগদ ৫ লাখ টাকা দাবি করেছেন।
ভুক্তভোগীর ভাষ্যমতে, গাড়ি ফেরত চাইলে তাকে নানা উপায়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়, হুমকি দেওয়া হয় এবং মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। দীর্ঘ সময় ধরে কোন প্রতিকার না পাওয়ায়, শেষ পর্যন্ত তিনি গণমাধ্যমের সামনে এসে বিষয়টি জানান দিতে বাধ্য হয়েছেন।
তিনি আরও দাবি করেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ জনমনে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে। এই কারণে তিনি নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বোয়ালিয়া মডেল থানার এসআই রাজু বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি এসব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান জানিয়েছেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে এবং তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরও বলেছেন, আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছি। অভিযোগটি তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন