প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিলেটে চার বছরের শিশু ফাহিমা আক্তারকে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যার প্রধান আসামি জাকির হোসেনকে আদালতে গণপিটুনি দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরের দিকে, হাজতখানা থেকে আদালতে নেওয়ার সময় উপস্থিত লোকজন তাকে গণপিটুনি দিতে শুরু করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অফিসার মো. মনজুরুল আলম।
গণপিটুনি খাওয়া আসামি জাকির হোসেন সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের মৃত তোতা মিয়ার সন্তান। নিহত ফাহিমা আক্তার (৪) একই গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের কন্যা। জানা গেছে, মামলার আসামী জাকির এবং তার দুই ভাই ফাহিমাদের প্রতিবেশি এবং সম্পর্কের দিক দিয়ে চাচা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, মঙ্গলবার ফাহিমা ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা মামলায় ধার্য্য তারিখ ছিল। সে সকালে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতের হাজতখানায় আনা হয়। দুপুরের সময় হাজতখানা থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে নিয়ে যাওয়ার পথে পুলিশের সামনে উপস্থিত লোকজন তাকে পিটুনি দেন। পরে পুলিশ তাকে দ্রুত আদালতে নিয়ে যায়।
আদালত সূত্র জানাচ্ছে, ৬ মে শিশু ফাহিমা নিখোঁজ হয়ে যায়। ৮ মে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনার পর ১১ মে রাতে প্রতিবেশী জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জাকির জানায়, ধর্ষণচেষ্টার সময় ফাহিমা জ্ঞান হারালে তাকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে। এরপর লাশ গুম করার চেষ্টায় তার দুই ভাই জয়নাল এবং কালাম সহযোগিতা করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন