প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠা জেন-জি ও যুব সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ এখন রাজপথে আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছে। দলটির লক্ষ্য হচ্ছে দেশটির শিক্ষা মন্ত্রীকে পদত্যাগে বাধ্য করা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নীতির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলা, এমনটাই জানা যায় রয়টার্সের এক প্রতিবেদনের সূত্রে।
সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে রয়টার্সকে বলেছেন, তিনি নিজে ভারতে ফিরে গিয়ে দিল্লিতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেবেন। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে এবং সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য তিনি দাবি করেছেন যে এই আন্দোলন করা হবে।
জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এই সংগঠনের অনুসারীর সংখ্যা ইতোমধ্যেই ২ কোটির বেশি ছাড়িয়েছে। মূলত ৩০ বছরের কম বয়সী তরুণদের মধ্যে বেকারত্ব, মূল্যস্ফীতি এবং শিক্ষা খাতে অনিয়ম নিয়ে ক্ষোভ থেকেই এই আন্দোলনের শুরু।
বিশেষ করে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং মূল্যায়নে ভুলের অভিযোগের কারণে সম্প্রতি হাজারো শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এই কারণে আন্দোলন আরও জোরদার হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় আট লাখ শিক্ষার্থী শিক্ষা মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে অনলাইনে স্বাক্ষর দিয়েছে বলেও জানা গেছে।
প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে রয়টার্সকে বলেছেন, “কতদিন আমরা ভয়ের মধ্যে থাকব? এবার জবাবদিহির সময় এসেছে।” কিন্তু তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, ভারতে ফিরে গেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে।
এদিকে, সরকার ইতোমধ্যেই সংগঠনটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট ব্লক করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। অভিজিৎ অভিযোগ করেছেন যে, অজ্ঞাত হ্যাকারদের মাধ্যমে তার দলের ইনস্টাগ্রাম পেজ দখলের চেষ্টা করা হয়েছে।
ভারতের একজন শীর্ষ মন্ত্রী সংগঠনটিকে বিদেশি প্রভাবিত বলেও আখ্যা দিয়েছেন। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এখনো এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
বিশ্লেষকদের মতে, অনলাইন থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ভারতের তরুণ সমাজের বেকারত্ব ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে গভীর অসন্তোষের প্রতিফলন হিসাবে দেখা যায়, যা ভবিষ্যতে বড় রাজনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন