প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে হানিফ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের বেপরোয়া গতিতে চলাচল এবং যাত্রীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। যাত্রীদের দাবি, অতিরিক্ত গতির কারণে অল্পের জন্য একটি বড় ধরনের সড়ক দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন তারা।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় হানিফ পরিবহনের একটি বাস। বাসটির কোচ নম্বর ছিল ৯০৯ এবং নিবন্ধন নম্বর ঢাকা মেট্রো-ব ১৫-৮৬৭৬।
যাত্রীদের ভাষ্য, মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে প্রবেশের পর থেকেই বাসটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে চলতে শুরু করে। পরে ভাঙ্গা থেকে বরিশালগামী মহাসড়কেও একইভাবে বেপরোয়া গতিতে বাস চালানো হয়। একপর্যায়ে বিপরীত দিক থেকে হানিফ পরিবহনের আরেকটি বাস আসার সময় অল্পের জন্য মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হয়। এতে বাসের ভেতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন যাত্রী জানান, সম্ভাব্য দুর্ঘটনার আশঙ্কায় তারা চালককে ধীরগতিতে বাস চালানোর অনুরোধ করেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, যাত্রীদের এ অনুরোধের পর বাসের সুপারভাইজার তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। একই সঙ্গে চালকও নিজের ইচ্ছামতো বাস চালাতে থাকেন বলে অভিযোগ করেন যাত্রীরা।
যাত্রীদের দাবি, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা-বরিশাল অংশে অতিরিক্ত গতির কারণে প্রায়ই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এরপরও অনেক পরিবহনের চালকের মধ্যে নিরাপদ গতিসীমা মেনে চলার প্রবণতা দেখা যায় না। ফলে প্রতিনিয়ত যাত্রীদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
সচেতন যাত্রী ও স্থানীয়দের দাবি, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং দুর্ঘটনা কমাতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। একই সঙ্গে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো এবং যাত্রীদের সঙ্গে অসদাচরণকারী চালক ও কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে হানিফ পরিবহনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন