প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কঙ্গনা রানাউত নার্সদের পোশাকে পরিবর্তন আনার দাবি তুলে ধরে বলেছেন।
ভারত ভাগ্য বিধাতা ছবিতে নার্সের চরিত্রে অভিনয় করেছেন কঙ্গনা। সম্প্রতি, একটি সাক্ষাৎকারে নার্সদের পেশা ও ছবির বিষয়বস্তু নিয়ে কথা বলার সময়, নার্সদের পোশাকে পরিবর্তন আনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন তিনি।
কঙ্গনার মতে, চিকিৎসকদের পোশাকেও স্বাধীনতা বেশি থাকলেও নার্সদের এখনও নির্দিষ্ট ও ঐতিহ্যবাহী ইউনিফর্ম পরতে হয়। তিনি মন্তব্য করেন, 'আমার মনে হয় ব্রিটিশ আমলের নার্সদের ড্রেস কোড আমাদের দেশে এখনও বর্তমান। চিকিৎসকেরা নিজেদের পছন্দমতো পোশাক পরতে পারেন, কিন্তু নার্সদের ক্ষেত্রে গরম বা শীত—সব ঋতুতেই এক ধরনের বিদেশি দৃষ্টিভঙ্গির ইউনিফর্ম পরতে দেখা যায়।'
তিনি ইউনিফর্মের ইতিহাস উল্লেখ করে বলেন, এই পোশাকের সঙ্গে ব্যবহৃত পিন, ক্যাপ বা বেল্ট প্রধানত প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার মার্কিন নৌবাহিনীর প্রভাব থেকে এসেছে।
কঙ্গনা আরও বলেন, ভবিষ্যতে ইউনিফর্মে কোনো পরিবর্তন এলেও তা নার্সদের নিজেদের প্রয়োজন ও মতামতের ভিত্তিতে হওয়া উচিত। তিনি মনে করেন, যদি নার্সদের স্বস্তির কথা মাথায় রেখে ইউনিফর্মে একটি 'ভারতীয় ছোঁয়া' আনা যায়, তবে তা অত্যন্ত ইতিবাচক হবে।
নার্সিং পেশাকে কেন্দ্র করে কঙ্গনা সমাজের কিছু নোংরা মানসিকতারও সমালোচনা করেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নার্সদের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এই পেশাকে প্রায়ই 'যৌনতার' সঙ্গে যুক্ত করে নানা রকমের মন্তব্য করা হয়।
তিনি বলেন, 'আমার মনে হয় নার্সিং এমন একটি পেশা, যেটিকে সমাজে সবচেয়ে বেশি যৌনতার দৃষ্টিতে দেখা হয়। মানুষের এই ধারণা ও মনোভাব দ্রুত পরিবর্তন হওয়া উচিত।'
ছবিতে নিজের চরিত্রটি নিয়ে কঙ্গনা বলেন, তারা সিনেমাটিতে অত্যন্ত সততা ও মর্যাদার সঙ্গে কাজ করেছেন। হাসপাতালের পুরো ব্যবস্থাকে সচল রাখতে নার্সদের অবদান চিকিৎসকদের চেয়ে কম নয় উল্লেখ করে কঙ্গনা বলেন, হাসপাতালের কথা ভাবলেই আমরা শুধু চিকিৎসকদের কথা মনে করি। তাদের অবদান অপরিসীম, কিন্তু যিনি লক্ষ লক্ষ নার্স ও কর্মী প্রতিদিন এই পুরো ব্যবস্থাকে সচল রাখছেন, আমাদের তাদের কথাও ভাবা উচিত।
সূত্র : এই সময়
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন