প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দক্ষিণ কোরিয়ায় নবম জাতীয় স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রদেশের গভর্নর, মহানগর ও শহরের মেয়র, স্থানীয় পরিষদের সদস্য এবং শিক্ষা প্রধানসহ বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতামত অনুযায়ী, এবারের ভোট চূড়ান্তভাবে স্থানীয় নেতৃত্ব বাছাইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়াং সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের আস্থা এবং জনপ্রিয়তার একটি গুরুত্বপূর্ণ বড় পরীক্ষা হিসেবেও গণ্য করা হচ্ছে।
১৯৯৫ সালে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা পুনরায় চালুর পর এটি নবম নির্বাচন। সাধারনত প্রতি চার বছর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্যবর্তী সময়ে এই ভোট অনুষ্ঠিত হয়, যাতে ভোটাররা স্থানীয় এবং জাতীয় রাজনীতিকে আলাদাভাবে মূল্যায়ন করতে পারেন।
ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টি অব কোরিয়া উল্লেখ করেছে যে, এই নির্বাচন নতুন সরকারের প্রতি জনসমর্থন আরও সুদৃঢ় করবে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার অধ্যায়কে শেষ করবে। অপরদিকে, প্রধান বিরোধী দল পিপল পাওয়ার পার্টি এটিকে সরকারের প্রথম বছরের কার্যক্রমের ওপর একটি সরাসরি গণরায় হিসেবে দেখছে।
এই নির্বাচনে মোট ৪ হাজার ২২৭ জন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন। এর মধ্যে ১৬টি মহানগর ও প্রাদেশিক সরকারের প্রধান, জেলা ও কাউন্টি প্রধান, মেয়র, স্থানীয় পরিষদের সদস্য এবং শিক্ষা প্রধানরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয় সংসদের ১৪টি শূন্য আসনে উপনির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে।
বুধবার (৩ জুন) সকাল ৬টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হবে এবং চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত। দেশজুড়ে ১৪ হাজারের বেশি ভোটকেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ৪ কোটি ৪৬ লাখ। দুই দিনের আগাম ভোটে ইতোমধ্যে ১ কোটি ৪০ লাখের বেশি মানুষ ভোট দিয়েছেন। আগাম ভোটের হার দাঁড়িয়েছে ২৩.৫১ শতাংশ, যা ২০১৪ সালে ব্যবস্থা চালুর পর স্থানীয় নির্বাচনের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
আঞ্চলিকভাবে, দক্ষিণ জেওল্লা প্রদেশে সর্বাধিক আগাম ভোট পড়েছে, আর দেগুতে সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ায় স্থায়ীভাবে অন্তত তিন বছর বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের স্থানীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার রয়েছে। তবে তারা জাতীয় সংসদ বা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না।
এদিকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে তিনজন কর্মকর্তা দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন